সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কোটালী পাড়ার যুবক নিহত নরসিংদীর পলাশে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার এক ভাটারা থানার তৃণমূল পর্যায় রাজনীতি থেকে বেরে উঠা নাসির উদ্দিন পলাশ চট্টগ্রামে বলি খেলা ও বৈশাখি মেলা উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ বাণী সংগীত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও শিশু সংগঠনের ঝমকালো আয়োজন চট্টগ্রামে ডিবি পুলিশের অভিযানে সরকারি লুট হওয়া পিস্তল উদ্ধার চট্টগ্রামে মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত

হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে পানি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৩ Time View

হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে পানি

কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ-মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার অন্তর্গত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম হাওর,যেখানে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের প্রচুর আবাদ হয়েছে।

চারিদিকে সবুজের হাতছানি,দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ।তবে কৃষকদের এই আনন্দ আর উচ্ছ্বাস ম্লান হয়ে গেছে পানির তীব্র সঙ্কটে।পর্যাপ্ত জলাধারের অভাবে পানির জন্য আক্ষেপ করছেন এলাকার কৃষকরা।অনেকেই আশঙ্কা করছেন,সেচের অভাবে ধান ঝলস’যেতে পারে,নষ্ট হয়ে যেতে পারে সারা বছরের স্বপ্ন।

কুলাউড়া উপজেলার জয়চণ্ডি,ভাটেরা, ভুকশিমইলসহ হাওরপাড়ের গ্রামগুলোতে ঘুরে দেখা যায় এক মর্মান্তিক দৃশ্য।খাল,নদী,পুকুর সবই শুকিয়ে মরুভূমি।সেচের বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে কৃষকরা চেষ্টা করছেন,কিন্তু তা যেন সাগরের মাঝে এক ফোঁটা জলের মতো।স্থানীয়রা জানান, হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বর্তমানে কোনো বড় প্রাকৃতিক জলাধারা অবশিষ্ট নেই।

এই চরম সঙ্কটে কৃষকরা স্মৃতি রোমন্থন করছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলের।সে সময় হাওরাঞ্চলে পানি নিষ্কাশন ও সংরক্ষণে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল,কিন্তু পরবর্তীতে তা অসমাপ্তই থেকে যায়।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃষকদের প্রাণের দাবি—অসমাপ্ত কাজ শেষ করা হোক।টেকসই সেচব্যবস্থা গড়ে তুললে তবেই হাওরপারের মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে। ধান উৎপাদন ব্যাহত হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে,এই আশঙ্কায় দিশেহারা কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন,নতুন সরকারের কাছে এই বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছে এবং সেচসঙ্কট নিরসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।কৃষকদের দাবি পূরণ হলে হাওর অঞ্চলে প্রাণের সঞ্চার হবে, ফিরে আসবে কৃষকদের হারানো হাসি।কৃষি বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে খাল পুনঃখনন ও পানি সংরক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নের উপর জোর দিচ্ছেন।তাদের মতে,সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করলে হাওরের সেচসঙ্কট দূর করা সম্ভব হবে,কৃষকরা পাবেন দীর্ঘমেয়াদি সুফল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category