সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লিচুর সোনালি মুকুল
সেলিম রেজা,ঈশ্বরদী উপজেলা,পাবনা প্রতিনিধি:-শীতের বিদায় বেলায় বসন্তের আগমনে প্রকৃতি সেজেছে রং-বেরঙে।বসন্তের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই লিচুর রাজধানী বলে পরিচিত পাবনার ঈশ্বরদীতে সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লিচুর সোনালী মুকুল।

বিগত বছরগুলোর থেকে এ বছর কয়েকগুণ মুকুল বেশি এসেছে বাগানগুলোতে।এরই মধ্যে কৃষকেরা ভালো ফলন পাওয়ার আশায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছে লিচু বাগান পরিচর্যায়।ঈশ্বরদীর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামগুলোতে ঘুরে এমন দৃশ্য চোখে পরেছে।ঈশ্বরদীর মাটি উর্বর ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সারাদেশে এ উপজেলা কৃষিতে বেশ সমৃদ্ধ।মাঘ মাসের শেষে ওফাল্গুনের মাঝে মাঝে সময়ে গাছে মুকুল আসতে শুরু করে।

চৈত্রের শুরুতে ফুলগুলো গুটিতে ধারণ করে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই এসব গাছে গাছে লাল টকটকে লিচুর দেখা মিলবে।উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, সমস্ত উপজেলায় প্রায় ৩২০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের লিচু চাষ হয়েছে।উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায় বাগানগুলোতে লিচুর মুকুল আসার সাথে সাথে চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছে।

ড্রেন করা,সার ছিটানো ভিটামিন স্প্রে করা সহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে পরেছে কৃষােরা।কিছুদিন পর ফুল থেকে গুটি বের হবে তখন কীটনাশক সহ বিভিন্ন ভিটামিন স্প্রে করবে কৃষকেরা।কৃষকেরা বলেন,বিগত বছরগুলোর থেকে এ বছরে কয়েক গুণ বেশি লিচুর মুকুল এসেছে।বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।আর সপ্তাহরখানেকের মধ্যে মুকুল থেকে গুটি আসতে শুরু করবে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলন হবার সম্ভাবনা রয়েছে।কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন জানান,কত বছর তুলনায় এ বছরে ফলন বেশি হবে। প্রতিবছর মুকুল আসার আগে ও পরে রোগ-বালাই দমন ও পরিচর্যা সম্পর্কে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকি।

এবারও মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পরামর্শ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছি।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা আশানুরুপ ফল পাবে। ধারণা করা হচ্ছে ঈশ্বরদীতে এবছর ৮ থেকে ৯ কোটি টাকার লিচু কেনা-বেচা হবে।