ভাটারা থানার তৃণমূল পর্যায় রাজনীতি থেকে বেরে উঠা নাসির উদ্দিন পলাশ
ষ্টাফ রিপোর্টার:-ভাটারা থানার তৃণমূল পর্যায় থেকে ছাত্রদলের রাজনীতি মাধ্যমে হাতে খড়ি দিয়ে,বিভিন্ন পর্যায়ের ইউনিট ওয়ার্ড থানা বর্তমান মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নং সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন,জনাব নাসির উদ্দিন পলাশ।আমরা জনাব নাসির উদ্দিন পলাশের কাছে জানতে চেয়েছিলাম তার রাজনীতি অভিজ্ঞতা ত্যাগ দুঃখ-বেদনা পাওয়া না পাওয়া ও না চাওয়ার কথা।নাসিরুদ্দিন পলাশ আমাদেরকে বলেন,উনি ভাটারা থানার খিলবাড়ির টেক ইউনিট ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে, ওয়ার্ড এবং আটারা থানা ছাত্রদলের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন,তার এই ছাত্র রাজনীতির অভিজ্ঞতা কে তৎকালীন ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আলী সাহেব এর দৃষ্টি আকর্ষণ করায়,স্বেচ্ছাসেবক দলে ইয়াসিন আলী সাহেবের দায়িত্ব পাওয়ার পর নাসির উদ্দিন পলাশের অভিজ্ঞতা দক্ষতা কারণে ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব প্রদান করেন।দীর্ঘদিন ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব পালন করে দলকে শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে রূপান্তরিত করেন।
তিনি ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা অবস্থায়,বিভিন্ন রকমের আন্দোলন সংগ্রাম সহ ২৪ জুলাই এর আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন নাসির উদ্দিন পলাশ ও তার সহকর্মীরা।তার দুজন সহকর্মী জুলাই আন্দোলনের তার চোখের সামনেই নির্মমভাবে শহীদ হন।নাসির উদ্দিন পলাশ ঢাকা মহানগর উত্তরের ১ নং সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি গনমাধ্যম কর্মীদের বলেন,স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার আমলে দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে না খেয়ে পালিয়ে বেরিয়েছেন সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে যান। তাঁর জীবনের অর্ধেক সময়টাই কেটেছে পালিয়ে পালিয়ে এবং আন্দোলন সংগ্রাম করে।পরিবারের থেকে দূরে থেকে সময় কাটিয়ে অনেকদিন পার করেছেন।তার ওয়াইফ অসুস্থ থাকাকালীন অবস্থায়ও তিনি তাকে দেখতে যেতে পারেননি এভাবেই তিনি আন্দোলন সংগ্রাম করে তার দলকে সহযোগিতা করে ছিলেন।তার দল আজকে ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু তার আশা দল যাতে ভালো করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের তিনিও একজন কর্মী হিসেবে কাজ করতে চান। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময়ে তিনি নাসির উদ্দিন পিন্টু,হাবিবুন নবী খান সোহেল,এস এম জাহাঙ্গীর,ইয়াসিন আলী,বর্তমান সভাপতি এস এন জিলানী ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবক দল রাজিব আহসান খান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনীতি করার কারণে তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন হয়েছে।তিনি বলেন, আমার এই অভিজ্ঞতাকে আমি কাজে লাগাতে চাই,দল যদি মনে করে আমাকে কোন দায়িত্ব দিবে তাহলে আমি আমার এই অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে দলকে আমি ভালো কিছু দিতে পারব বলে জানান।তিনি আরোও বলেন,দল যদি তাকে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব প্রদান করেন তাহলে তার বিগত দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলকে একটি সুসংগঠিত সুশৃংখল ইউনিট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন এ বিশ্বাস তার অন্তরে ধারণ করেন তিনি। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ মরহুমা আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া আদর্শ ও বর্তমান চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের কাজ করে নিজেকে একজন জিয়ার আদর্শ সৈনিক হিসেবে প্রমাণ করতে চান। সেই আশা প্রত্যাশা রেখে দলের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের কাছে তার চাওয়া পাওয়া এতটুকুই তারা যেন তাকে সঠিক দায়িত্ব দিয়ে আগামীর রাজনীতির পথ চলায় সহায়তা প্রদান করেন।