বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হায়দরগঞ্জ বাজারের মধ্য গলিতে ময়লার স্তূপ, চরম জনদুর্ভোগে সাধারণ জনগণ প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গার মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গায় মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রায়পুরে অপহরণের পর হত্যা:প্রধান আসামী গ্রেফতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু

তুরস্কে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা-ছেলের মৃত্যু

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮৯ Time View

তুরস্কে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা-ছেলের মৃত্যু

জাহাঙ্গীর আলম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:-তুরস্কে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে কক্ষে অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।একই ঘটনায় তাদের সঙ্গে থাকা চাচাতো ভাই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার(৪ মার্চ)ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য তুরস্কের একটি হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহতরা হলেন-ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকা মেড্ডা গ্রামের মৃত ইয়াকুব মিয়ার ছেলে তারেক মিয়া (৪৫)ও তার একমাত্র ছেলে সাব্বির(২২)।

এছাড়া ফেনী জেলার এক যুবকও এ ঘটনায় মারা গেছেন।গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সাব্বিরের চাচাতো ভাই লিটন (২৬)।তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়,তুরস্কের একটি ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড কক্ষে তারা একসঙ্গে বসবাস করতেন।মঙ্গলবার রাতে সেহেরি খাওয়ার পর ভোরে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন।

ধারণা করা হচ্ছে,ওই সময় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে কক্ষে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দেয়।ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তারেক মিয়া, সাব্বির ও অপর যুবকের মৃত্যু হয়।পরে লিটনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।

জানা গেছে,তারেক মিয়া প্রায় ১৪ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে তুরস্কে পাড়ি জমান।দেড় বছর আগে তিনি ছেলে সাব্বিরকে সেখানে নিয়ে যান। সাব্বিরের মা বেঁচে নেই।সাব্বিরের খালা লুতফা বেগম বলেন,হঠাৎ এমন দুর্ঘটনায় আমরা বাকরুদ্ধ।পরিবারে শোকের মাতম চলছে।মরদেহ দেশে আনার বিষয়টি নিয়ে আমরা দিশেহারা।

তিনি আরও বলেন,সরকারের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের পক্ষে মরদেহ আনা সম্ভব নয়।সবার কাছে দোয়া চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category