বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গার মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গায় মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রায়পুরে অপহরণের পর হত্যা:প্রধান আসামী গ্রেফতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু নরসিংদীতে ৭ বছর শিশুকে ধর্ষণ গ্রেফতার এক

রাজারহাটে তিস্তায় জিও ব্যাগ ফেলানোর অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮৭ Time View

ইব্রাহিম আলম সবুজ কুড়িগ্রাম ::তিস্তা নদীর তীর রক্ষার কাজে ব্যবহৃত জিও ব্যাগ প্রকল্পের আড়ালে বালু বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট বাজারের পাশে নদীর তীরে বালু ভর্তি সারি সারি জিও ব্যাগ দেখতে পাওয়া যায়।এখানে নদী ভাঙনের নমুনা না পাওয়া গেলেও এসব বালু ভর্তি জিও ব্যাগ প্রস্তুত করা হয়েছে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে।

এলাকাবাসী জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়মিত সাব ঠিকাদার ও লেবার সর্দার আব্দুস সালাম গতবছর বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রায় দুই লাখ সিফটি বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা শুরু করলে সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বালু বিক্রি করা বন্ধ করে দেন। সাম্প্রতিক বন্যায় ৬নং ক্রোসবাধ সংলগ্ন এলাকায় নদীতে ভাঙ্গন দেখা না দিলেও তার বালু বাণিজ্য হাসিল করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে জিও ব্যাগের বরাদ্দ নেন।

বিদ্যানন্দ পাড়ামৌলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল জানান এখানে প্রয়োজন না হওয়া সত্বেও সালাম সর্দার বালু বিক্রির উদ্দেশ্যে জিও ব্যাগের বরাদ্দ নিয়ে আসেন। একই ইউনিয়নের কালিরহাটের বাসিন্দা মিলন হোসেন বলেন, চতুরা মৌলভীপাড়ায় ব্যাপক ভাঙন থাকা সত্বেও কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সালাম সর্দার তার মন মতো কাজ করায় চতুরা এলাকায় কমপক্ষে ১০টি বাড়ি তিস্তা নদী গর্ভে চলে যায়। তার এই স্বেচ্ছাচারিতায় এলাকার কেউ মুখ খোলার সাহস পান না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার সাথে তার গভীর সখ্যতা থাকার কারণে তার দীর্ঘদিন থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেও প্রতিকার পায়নি এলাকাবাসী।

যার ফলে তিস্তার পাড়ের মানুষের ঘরবাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হলেও নিজের আখের গুছিয়েন ঠিকই।
রবিবার ৬ নং ক্রোসবাধ এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ১২শ বালু ভর্তি জিও ব্যাগ নদীর তীরে ফেলানো হয়। বাঁধের পাশে বালুর স্তুপ দেখতে না পেয়ে সালাম সর্দারের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হয় বালু কি করা হয়েছে।তিনি বলেন বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ভর্তি করেছি। কতগুলো বস্তা প্রস্তুত করা হয়েছে। উত্তরে তিনি বলেন বস্তার হিসেব আছে ছেলের কাছে।

সালাম সর্দারের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়, জিও ব্যাগ ফেলানোর পূর্বে এখানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে কিনা- জবাবে তিনি বলেন এখানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়নি। চতুরা মৌলভীপাড়ায় ব্যাপক ভাঙন থাকলেও সেখানে প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিয়ে এখানে কাজ করলেন কেন,সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এখানে আগে থেকে কাজের বরাদ্দ ছিল তাই এখানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে।

অথচ কালিরহাট মৌলভীপাড়ায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে উপরন্তু ভাঙন প্রবন এলাকা না হওয়া সত্বেও ৬ নং ক্রোসবাধ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলানোর বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন মৌলভীপাড়ায় ৫০০ বস্তার কাজ করা হয়েছে। সেখানে আর কাজ করার মতো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। পাড়ামৌলা ডাংরার হাট ৬নং ক্রোসবাঁধে যে কাজ করা হয়েছে সেটা জরুরি কাজের বরাদ্দ নয়। ওটা বাৎসরিক সংস্কারের বরাদ্দ থেকে করা হয়েছে।

কতগুলো বস্তার কাজ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এই বিষয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলী (এসও)মারজান হোসেনের কাছে জানতে পরামর্শ দেন। মারজান হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category