শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হায়দরগঞ্জ বাজারের মধ্য গলিতে ময়লার স্তূপ, চরম জনদুর্ভোগে সাধারণ জনগণ প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গার মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গায় মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রায়পুরে অপহরণের পর হত্যা:প্রধান আসামী গ্রেফতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহা সড়কের ফুটপাত ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪
  • ৯৭ Time View

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :: ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাঁটিহাতা বিশ্বরোড মোড়ের পূর্ব পাশ ও দক্ষিণ পাশে কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে অর্ধশতাধিক ভাসমান দোকান ভাড়া দিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

রবিবার (৩০ জুন) দুপুরে সরেজমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাঁটিহাতা বিশ্বরোড মোড়ের পূর্ব পাশ ও দক্ষিণ পাশ গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন ফলের দোকান সাজিয়ে বসে রয়েছে এবং পথচারীরা মহাসড়কের উপর দিয়ে চলাচল করছে। এছাড়াও যানবাহন চলাচলের ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্ব পাশে কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের নিচের অংশ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সওজের বিশাল জায়গা দখল করে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল এক যুগেরও অধিক সময় ধরে খাঁটিহাতা দুলালের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছিল। কিন্তু দুলাল মারা যাওয়ার পরে বিল্লাল ও গাফফারসহ কয়েকজন ব্যক্তি প্রতিদিন অস্থায়ী ভাসমান দোকান থেকে ১০০ থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বিশ্বরোড মোড়ে যাতে যানজট না হয় সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্তৃপক্ষ জায়গাটি অনেক টাকা খরচ করে পাকা করে দিয়েছে সিএনজি চলাচলের জন্য। কিন্তু এখানকার স্থানীয় মার্কেট মালিকরা যার যার দোকানের সামনে ভাড়া দিয়ে রেখেছেন ব্যবসা হউক আর না হউক তাদেরকে দৈনিক ২০০-৩০০ টাকা চাঁদা দিতেই হবে। না হলে এখানে বসতে দিবে না। এসব বিষয়ে দোকানদারের একাধিক অডিও বক্তব্য প্রতিনিধি হাতে আছে। 

এ বিষয়ে গাফফার সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায় নাই। স্থানীয় এক মার্কেট মালিক রায়হান মিয়া বলেন, আপনাকে কে বলছে আমাকে ফোন দিতে, বুইজ্জা কথা বলবেন, আপনার মত কত সাংবাদিক কে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে ফেলেছি। যান আপনি কি করবেন করেন। 

সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আশীষ কুমার স্যানাল বলেন, চাঁদা আদায় বিষয়ে এখনো কেউ আমাকে জানায় নাই, আমি বিষয়টি সম্পর্কে জানিও না, চাঁদা নেয়া কিন্তু অন্যয়। যদি কেউ এভাবে চাদাঁবাজি করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category