রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হায়দরগঞ্জ বাজারের মধ্য গলিতে ময়লার স্তূপ, চরম জনদুর্ভোগে সাধারণ জনগণ প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গার মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গায় মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রায়পুরে অপহরণের পর হত্যা:প্রধান আসামী গ্রেফতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু

পৃর্বধলায় চলছে রেলওয়ের জমি দখলের মহোৎসব, নিরব রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪
  • ১৮৫ Time View

পৃর্বধলায় চলছে রেলওয়ের জমি দখলের মহোৎসব, নিরব রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক:- নেত্রকোনা জেলার পৃর্বধলা উপজেলায় ঢাকা কমলাপুর রেল স্টেশন হইতে পৃর্বধলা থানা জারিয়া রেল স্টেশনের উদ্দেশ্যে প্রতিনিয়তই চলে আসা যাওয়া করে বলাকা ট্রেন এই কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে আসা বলাকা ট্রেনটির শেষ গন্তব্য স্থান হচ্ছে পৃর্বধলা থানা জারিয়া রেল স্টেশন। এই আগের স্টেশনটি হচ্ছে পৃর্বধলা রেল স্টেশন। এই পূর্বধলা রেলস্টেশনের পচ্ছিম পাশেই রয়েছে সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাদের অফিস,যেমন: উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার কার্যালয়,উপজেলা পরিষদ,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা ভূমি অফিস,উপজেলা নির্বাচন কমিশনারের অফিস,সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এর কার্যালয়।এতগুলি কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনেই চলছে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি দখলের মহোৎসব। উক্ত বিষয়টি কেনো জানি,কারো চোখে পড়ে না,তার কারণ খুঁজতে গিয়ে অনুসন্ধানী টিম জানতে পারে কিছু অসাধু ভূমিদস্যু লোক এই রেলওয়ের জায়গা গুলি দখল করে গড়ে তুলছে আধা পাকা বাড়ি শুরু করেছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বাসা ভাড়া সহ বেশ কিছু কর্মকাণ্ড।

এই বিষয়ে পূর্বধলা রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মোমেন সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই রেলওয়ের ১১ জন কর্মকর্তা থাকার কথা এর মধ্যে একজনও নেই।আমি রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলাম এখন চাকরি থেকে অবসর নিয়েছি। এরপরেও রেলওয়ের স্টেশনে লোক না থাকা সত্ত্বে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আমি এখন অতিরিক্ত ভাবে দায়িত্ব পালন করছি।আর এই রেলওয়ের জমি দখলের বিষয়টি নিয়ে সুশীল সমাজের মাঝে একটি গুঞ্জর উঠে,তার পর এই গুঞ্জুর শুনে আমি সরজমিনে গিয়ে দেখি কিছু অসাধু লোক তারা রেলওয়ের জায়গা দখল করে নিচ্ছে।পরে এই বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করলে আমার প্রতিবাদ না মেনে তারা প্রতিনিয়তই গড়ে তুলছে ঘরবাড়ি।তাই আমি এই বিষয়ে ময়মনসিংহ জোন রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে জানাই,এমনকি ভূমিদস্যদের কে ভুমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ প্রধান করি। নোটিশ প্রদান করার পরেও কোনভাবেই থামছে না তাদের এমন জমি দখলের অনৈতিক কাজ।তারা পেশির বলে দিবারাতি ঘর বাড়ি তৈরির করার কাজ প্রতিনিয়তই চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান দৈনিক শেষ সংবাদের প্রতিবেদককে।

পৃর্বধলায় চলছে রেলওয়ের জমি দখলের মহোৎসব,আর এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় নির্বিকার কর্তৃপক্ষ।এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে দৈনিক শেষ সংবাদ এর অনুসন্ধানী টিম এর কাছে।আর এই রেলওয়ের জমি দখলের তথ্য খুঁজতে গিয়ে বেড়িয়ে আসে তলের বিড়াল। রেলওয়ের জমি দখলকারীরা হলেন,১) বকুল ফকির ২) জুয়েল মিয়া ৩)মনু মিয়া ৪) বকুল তালুকদার ৫) কফিল খান মাষ্টার ৬) মোঃ সালাম সহ আরো বেশ কয়েকজন। এই বিষয়ে ভূমি দখল কারী বকুল ফকির এবং মোঃ জুয়েল মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন,রেল কর্তৃপক্ষ ও থানার অফিসার ইনচার্জ কে অবগত করেই নাকি এসব জমি দখল করা হচ্ছে।আবার লিজ নিয়ে স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে বলেও তারা বড় গলায় দাবি করছেন অনেকেই।

দফায় দফায় জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও পৃর্বধলায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে অসহায় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ের জমি দখলের এ উৎসবে মেতেছেন,পৃর্বধলা উপজেলার প্রভাবশালীরা।

এই প্রভাবশালীদের কুঠির জোর কোথায় জানতে গিয়ে অনুসন্ধানী টিম সরেজমিনের গিয়ে ঘুরে দেখতে পাই, নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার শ্যামগঞ্জ বাজার হইতে পূর্বধলা বাজার পর্যন্ত লিজের নামে গড়ে তুলেছে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও দোকানপাট সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,রেলওয়ের সড়ক অংশে স্থাপনা নির্মাণ করার জন্য জমি নিয়ে চলছে বাণিজ্য।আর সব বাণিজ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক কিছু অসাধু নেতা কর্মীরা জরিত আছে বলে জানা যায়,অনুসন্ধানে ।আর এইসব নেতা কর্মীদের নাম প্রকাশ করবো দ্বিতীয় পর্বে,অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার পৃর্বধলা বাজার হইতে পৃর্বধলা রেল স্টেশন পর্যন্ত রেলওয়ের পরিত্যক্ত জমিগুলো মনগড়া চুক্তি করে বদলানো চেষ্টা চলছে মালিকানা। জমিগুলোতে স্থায়ী পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে আগাম দখলে নেয়ার উৎসবে মেতেছেন স্থানীয় কিছু অসাধু প্রভাবশালীরা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি দখলের এমন ঘটনায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সাবেক অনেক স্থায়ী স্থাপনা দৃশ্যমান হয়েছে এই রেল লাইনের পাশে। এর মধ্যে পূর্বধলা রেল স্টেশন হইতে পূর্বধলা বাজার পর্যন্ত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়,রেলওয়ের জমিতে আধাপাকা ঘর নির্মাণের নামে কৌশলে রড ও সিমেন্টের ঢালাই দিয়ে পাকা করে স্থায়ীভাবে মার্কেট,বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।পূর্বধলা রেল স্টেশনের একটু দক্ষিণ পাশে ভূমি অফিসে সামনেই রেলের নিচু জমিতে বালু ও মাটি ফেলে জমি দখল করা হচ্ছে বলে দেখা যায়,এমনকি নতুন স্থাপনার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।তবে এ জমির মালিক কে- কেউ বলতে পারেননি স্থানীয়রা।আর এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা চলছে সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাদের অফিসের সামনে।বাংলাদেশ সরকারের রেলওয়ের জায়গা দখল করছে কিছু অসাধু ভূমিদস্যু বাহিনী বলে জানান, সুশীল সমাজের লোকেরা। এলাকাবাসী আরও বলেন,এখানেই রয়েছে বাংলাদেশ সরকারেরই বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা,তাদের নাকের ডগার সামনে- ই চলছে এইসব রেলওয়ের জমি দখলের কান্ড।আর এই বিষয়ে আজও কোন সরকারি কর্মকর্তা প্রতিবাদ করতে শুনি নাই বলে জানান সুশীল সমাজের লোকেরা। তারা আরও বলেন,এই সরকারি কর্মকর্তারা অফিসে প্রবেশ ও বাহির হলেই,যেমন: চায়ের আড্ডায়,বাসা থেকে অফিসে আসা ও বাসায় ফিরার রাস্তা একটাই।এমনকি অফিস থেকে বের হলেই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে এই রেলওয়ের জমি দখলের কর্মকাণ্ড,কিন্তু কেহই এই বিষয়ে মুখ খুলেন না।আর এই বিষয়টা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে ঘুরপাক খাচ্ছে,কেন তারা প্রতিবাদ করছে না,তারা কি তাদের কাছে কোন দায়বদ্ধতা আছে,নাকি তাদের কাছে কোন টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গেছে,নাকি সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ে তারা অনেক শক্তিশালী।এমন প্রশ্ন নিয়ে এলাকাবাসীর মনে একটি আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হয়েছে।আর তারই ধারাবাহিকতায় এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য চলে আসে দৈনিক শেষ সংবাদ ও ২৪ ঘন্টা টেলিভিশনের অনুসন্ধানী টিম এর কাছে অনুসন্ধানী টিম সরজমিনে গিয়ে দেখতে ও জানতে পায়,কিছু অসাধু ব্যক্তিরা এই রেলওয়ের জমি গুলি দখল করে নিচ্ছে।উক্ত বিষয়ে অনুসন্ধানী টিম তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন,আমরা লিজ নিয়েছি ও প্রশাসনকে এবং রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতা কর্মীদের কে ম্যানেজ করেই আমরা আমাদের কাজ চলমান রেখেছি।এই বিষয়ে আপনাদের নাক গলানোর কোন প্রশ্নই আসে না। তাই আমরা আপনাদের সাথে কোন কথা বলতে রাজি না,আমরা কিভাবে এই জায়গায় ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছি এই বিষয়ে আপনি,এসিল্যান্ড,রেল স্টেশনের দায়িত্ব রত কর্মকর্তা এবং থানায় অফিসার ইনচার্জ কে জিজ্ঞাস করেন,তারাই ভালো বলতে পারবে এই বিষয়ে।আমাদেরকে অযথা বিরক্ত করবেন না,আর যদি বেশি বাড়াবাড়ি করেন তাহলে আমরা আপনাদের কোন অস্তিত্ব রাখবো না বলে হুমকি দেয় সংবাদ কর্মীদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা মার্কেটের এক ভাড়াটিয়া জানান,তিনি একটি দোকান ভাড়া নেন কিন্তু এতো দিন,অতিবাহিত হলেও এখনও ঘর মালিকের মুখ দেখেননি বলে দাবি তার। কিন্তু দোকান ভাড়া তিনি ঠিক মতোই দিয়ে যাচ্ছেন।তিনি বলেন,‘ভাড়া নেওয়ার চুক্তিতে বলা আছে,যে কোন সময় রেলওয়ের জমিতে নির্মাণ করা আধাপাকা দোকানগুলো ভাঙ্গা পড়তে পারে। তাই সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় আমার।

রেলওয়ের জমি ভোগদখলে থাকা সূত্রে নিজেকে মালিক দাবি করা বকুল ফকির ও জুয়েল মিয়া বলেন, সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে স্থাপনা তৈরি করতেছি। এখানে অবৈধ বলার কোনো সুযোগ নেই।

এ ছাড়া এই রেলওয়ের সড়কের পাশে সরকারি জমিগুলো ক্রয় সূত্রেও মালিক দাবি করেন একাধিক ব্যক্তিরা বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মচারী বলেন,রেলওয়ের জমিগুলো মূলত জোর করে দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা। রেলওয়ের জমিতে কেউ লিজ নিলেও স্থায়ী পাকা ভবন করতে পারবেন না। অস্থায়ী স্থাপনা করতে পারবেন। যেমন কৃষি জমিকে চাষ করতে পারবে, নালা-ডোবায় মৎস চাষ করতে পারবেন। তবে কোনো ব্যক্তি বসবাস ও বাণিজ্যিক কাজ করার জন্য স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবেন না বলে জানান তিনি।তিনি আরো বলেন,তবে লিজ দেয়া জমি থেকে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো সময় তাকে সরিয়ে দিতে পারবেন বলে জানান এই কর্মচারী।

এই বিষয়ে পৃর্বধলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খবিরুল আহসান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি তারা এই জায়গা রেলওয়ের কাছ থেকে লিজ নিয়েছে এমনকি বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য তারা কাগজপত্র দাখিল করেছে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে।তাই তারা সেই সুবাদে ঐ জায়গায় স্থাপনা তৈরীর নির্মাণের কাজ করছে বলে জানান তিনি।

অনুসন্ধানী টিম,উক্ত বিষয়ে পৃর্বধলা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসার নাজনীন আখতার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি শুনেছি তারা রেলওয়ের কাছ থেকে এই জায়গায় লিজ নিয়ে এইসব স্থাপনা তৈরি করছে,তবে তাদের কোন কাগজপত্র আছে কিনা তা আমি দেখিনি বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে পৃর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এটা আমাদের দেখার বিষয় নয়,আপনি রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে কথা বলুন।কি ভাবে ভূমি দখল করছে তারাই ভালো জানে,আমার থানায় কোন ভূমিদস্যু নেই,কেউ জোর করে ভূমি দখল করছে এমন কোন তথ্য আমার কাছে নেই বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের সহ-কারী প্রকৌশলী আকরাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক শেষ সংবাদ এর প্রতিবেদক কে বলেন,এই বিষয়ে আমরা জানি এবং জমি দখলকারীদের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে,তাঁদের কে কোন ভাবেই জমি দখল থেকে থামানো যাচ্ছে না।‘ভূমি-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জেলায় নেই।আপনি ঢাকায় রেলওয়ের অফিসে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলেন।ময়মনসিংহের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আকরাম হোসেন তিনি আরো বলেন, জারিয়া টু কমলাপুর রেলস্টেশনের সড়ক আইনে যে কোনো সড়কের পাশে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানান তিনি।

উক্ত বিষয়ে এলাকাবাসী জানান,পৃর্বধলাতে দফায় দফায় রেলওয়ের জমি দখল ও স্থাপনা নির্মাণ করার কাজ চলমান রয়েছে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ব্যবস্থা নেয়া অতি জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।

পর্ব -১ (চলমান)। (দ্বিতীয় পর্ব)দেখতে চোখ রাখুন, আমাদের পেইজে ও পত্রিকার পাতায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category