
শরীয়তপুরে ৭০ বছরের বৃদ্ধ ৪ বছরের শি/শু/কে পাটক্ষেতে নিয়ে ধ/র্ষ/ণ
সায়ুম আজাদ লিটু,বিশেষ প্রতিনিধি:-
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের,দক্ষিণ সওলা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুর রহিম এর চার বছরের শিশু কন্যা মোছাঃ আয়রা মনি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা যায়।
অবুঝ ও নিষ্পাপ শিশুকন্যা আয়রা মনি কে একি এলাকার ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ আবুল কাশেম মুন্সী নামে এক ব্যক্তি পাট ক্ষেতে নিয়ে পাশবিকতার শিকার হয়েছে মালয়েশিয়া প্রবাসীর শিশু কন্যা আয়রা মনি।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক আবুল কাশেম মুন্সীর (৭০) দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়,২২ শে জুন ২০২৬ ইং রোজ সোমবার সকাল আনুমানিক ১১ টা থেকে ১১.৩০ মিনিটের দিকে শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে ছুটি শেষে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। পথেরমধ্যে একই এলাকার মৃত সামেদ আলী মুন্সীর বিকৃত স্বভাবের ছেলে আবুল কাশেম মুন্সী (৭০) শিশুটির গতি রোধ করে।পরে তাকে ফুসলিয়ে রাস্তার পাশের একটি নির্জন পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং সেখানে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়।ঘটনা এখানেই শেষ নয়,ধর্ষণের পর লোকলজ্জা ও আইনের হাত থেকে বাঁচতে চার বছরের ওই অবুঝ শিশুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয় এই নরপিশাচ বৃদ্ধ।শিশুটি বর্তমানে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলা মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
দৈনিক শেষ সংবাদ এর অনুসন্ধানে জানা যায়,অভিযুক্ত আবুল কাশেম মুন্সী এলাকায় একজন কুরুচিপূর্ণ ও বিকৃত মানসিকতার লোক হিসেবে পরিচিত বলে জানা যায়।এর আগেও তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক নারী ও শিশুর দিকে কুনজরে তাকানো এবং বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।প্রতিবারই স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও প্রভাব খাটিয়ে সে সমস্ত ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে পার পেয়ে গেছে বলে জানা যায়।বারবার পার পেয়ে যাওয়ার কারণেই সে এবার ৪ বছরের এক দুগ্ধপোষ্য শিশুর ওপর এমন নৃশংসতা চালানোর সাহস দেখিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।একটি ৪ বছরের শিশুর শৈশবকে এভাবে ধূলিসাৎ করার ঘটনায় পুরো জাতির বিবেক আজ নাড়া দিয়েছে।এলাকায় এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।উক্ত ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের স্পষ্ট দাবি— ধর্ষকের কোনো বয়স বা সামাজিক পরিচয় থাকতে পারে না,সে সমাজের এক চরম অভিশাপ।এই ঘটনার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ‘নরপিশাচ’আবুল কাশেম মুন্সীর সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে,যেন ভবিষ্যতে আর কোনো জানোয়ার এমন জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।
উক্ত বিষয়ে শরীয়তপুর সদর পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ঘটনা শুনেছি এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং মেয়েটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে আমারা মেয়েটির খুজ খবর নিচ্ছি এবং অভিযুক্ত আবুল কাশেম মুন্সীকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে,পুলিশ তাকে গ্রেফতারের জন্য কাজ করছে বলে জানান তিনি।