গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম হাজড়াবাড়ি গ্রামের সুমন বাড়ই নামের ২৪ বছরের যুবক ১৭বছর ছাত্রীপ্রণিতা শিকারি সাথে দুই বছর যাবত ভালোবাসা করে আসছে, একপর্যায়ে ছেলে মেয়ে উভয় উধাও হয়ে অন্য কোথাও গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসে, ছেলের বাবা দিলীপ বাড়ই মা পুতুল বাড়ই হন্নাহয়ে ছেলেকে খোঁজে, মেয়ের বাবা পঙ্কজ শিকারি সেও মেয়েকে পাগলের মত খোঁজে এবং মেয়ের বাবা পংকজ শিকারি কোটালীপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে, প্রায় এক সপ্তাহ পরে ছেলে ও মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যায় এই এক সপ্তাহ ছেলে মেয়ে একসাথে থাকে, ছেলের বাবা দিলীপ বাড়ই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের হাতে মেয়েকে বুঝিয়ে দেয়, বাবা পংকজ শিকার মেয়েকে হাতে পেয়ে বাড়ি নিয়ে যায়, এব্যাপারে কোটালীপাড়া থানা এসআই উত্তমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হতে ১১ মাস বাকি যার কারণে এই বিয়ে আইনের বৈধতা নেই, পরবর্তীতে মেয়েকে বোঝানোর নামে মারধর করে আসছে মেয়ের বাবা পংকজ শিকারি যা অমানবিক, সাংবাদিকরা পঙ্কজ শিকারের কাছে জানতে চাইলে ও মেয়ের সাথে দেখা করতে চাইলে অশিক্রিতি জানায়, পাশাপাশি মানুষের কাছে জানতে চাইলে মেয়ের দুরবস্থার কথা প্রকাশ করে , এদিকে ছেলে সুমন বাড়ই বিষক্রিয়ায় আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে, তৎক্ষণাৎ কোটালীপাড়া সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে চিকিৎসায় ব্যর্থ হয়ে গোপালগঞ্জে গিয়ে ছেলে সুমন বাড়ই শেষ রক্ষা পায়, বেঁচে থাকলেও সুমন বাড়াই এখনো মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে, এরি ধারাবাহিকতায় উভয় পক্ষের মধ্যে অশান্তি বিরাজ করছে, ও এলাকাবাসী মেয়ের বাবার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ছার পাইনি এলাকার সামাজিক ব্যক্তিবর্গ পর্যন্ত।