
বাকেরগঞ্জ থানার ওসির বাসভবন ও কোয়াটার ব্যবহারের অনুপযোগী
মোঃ মামুন খান বরিশাল প্রতিনিধিঃ-
বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলা সদরে স্বাধীনতার পরে ওসির বাসভবন ও কোয়াটার জড়জীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় বসবাসের কোন পরিবেশ নেই।
এমনকি থানার এসআই দের কোয়াটার স্বাধীনতার পরে নির্মিত হলেও তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে,ঠিকাদার কর্তৃক, দুইবার সংস্কার হলেও ভবনগুলোতে থাকার কোন পরিবেশ নেই,ছাদ ভেঙে ইতিপূর্বে কয়েকজন আহত হয়েছিলেন, এরপরে উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভিতরে বসবাস না করার জন্য নিষেধ করা হলেও থানার অধিকাংশ কর্মকর্তারা,প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে,এ বিষয় বরিশাল পুলিশ সুপারের বরাবরে ২৪ ৭২ নং স্মারকের মাধ্যমে,তৎকালীন বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান,লিখিত আকারে পুলিশ সুপারের বরাবরে অবহিত করেন।বাসভবন পুরাতন ১ তলা বিশিষ্ট দুই রুম হলেও তা ফেটে বৃষ্টির পানি পড়তে দেখা যায়,পিলারের ভীম ফাটল ধরেছে।
ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় বর্তমান থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন।উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভবনের ছাদের উপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বালুর বস্তা দিয়া চৌকি নির্মাণ করেছিলেন,দেশ স্বাধীনের পরে বেশ কিছুদিন পরিতক্ত অবস্থায় পড়েছিল।
যুদ্ধের সময় ভবনটি ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় থাকায় পুনরায় সংস্কার করে ওসিদের পরিবারদের নিয়ে বসবাস করে।
থানার ভূমি ইমারত ফাইল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১৯৯২ সালে ভবনটির স্পেশাল বরাদ্দর মাধ্যমে সংস্কার করা হয়।
পুনরায় উক্ত ভবনটির সংস্কারের জন্য,৯/৬/২০১৬ তারিখে ২১৮৪ নংস্মারকে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে বড় ধরনের মেরামতের বরাদ্দ দেওয়া হলেও,বাকেরগঞ্জ থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের অবস্থা খারাপ দেখে ঠিকাদার কর্তৃক সংস্কারের কাজ না খোঁজ করে দেন।
তাদের দাবি ছিল সরকারি অর্থ ঝকিপূর্ণ ভবনে অপচয় না করে নতুন ভবন নির্মাণ করার জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেন,তাদের দাবি কর্তৃপক্ষ ওসির বাসভবন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কোয়াটার ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান।