শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু নরসিংদীতে ৭ বছর শিশুকে ধর্ষণ গ্রেফতার এক কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কোটালী পাড়ার যুবক নিহত

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের চোখে ধুলো দিয়ে চলছে ইজিবাইক লাইসেন্স ভাড়া বাণিজ্য

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১৯৭ Time View

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের চোখে ধুলো দিয়ে চলছে ইজিবাইক লাইসেন্স ভাড়া বাণিজ্য

মোঃ আলী সোবানঃ-ময়মনসিংহ নগরীতে বৈধ ইজিবাইক লাইসেন্সের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে এক ‘অঘোষিত ভাড়া বাজার’।একটি লাইসেন্স নম্বর দিয়ে চলছে একাধিক গাড়ি,মাসে গুনে গুনে আদায় হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা।অথচ এই লাইসেন্স শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বাইক ও মালিকের জন্য বরাদ্দ—আইন অনুযায়ী এটি হস্তান্তরযোগ্য নয়।কি চলছে আসলে?একটি লাইসেন্স দিয়ে চলছে একাধিক ইজিবাইক মাসিক ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে লাইসেন্স(১৫,০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত)লাইসেন্স নম্বর দেখিয়ে চেকপোস্ট পেরোচ্ছে অবৈধ গাড়ি!প্রকৃত মালিকরা পড়ছেন হয়রানিতে,তাদের গাড়ি থাকে গ্যারেজে! আইন কী বলে? সিটি কর্পোরেশনের বিধি অনুযায়ী, প্রতিটি লাইসেন্স কেবলমাত্র একটি বাইক এবং নির্দিষ্ট মালিকের জন্য প্রযোজ্য।কিন্তু এই নিয়ম এখন যেন‘লোক দেখানো কাগজপত্র’।প্রশাসনের ভূমিকা সীমাবদ্ধ শুধু“তদন্ত চলছে”বলে আশ্বাসে! চেসিস নম্বর নিয়ে ভোগান্তি অন্যদিকে,পুরনো কিছু ইজিবাইকের চেসিস নম্বর ফ্রেমে আর দেখা যাচ্ছে না।এর ফলে কাগজ হালনাগাদ করতেই সমস্যা হচ্ছে।পেশাদার সাংবাদিক ও ইজিবাইক মালিক মামুনুর রশিদ মামুন জানান,“তিনটি গাড়ির কোনোটিরই চেসিস নম্বর দৃশ্যমান নয়,কিন্তু নিয়ম মেনে ক্রয় করা।আমি থানায় জিডি করেছি এবং সিটি কর্পোরেশনে আবেদন দিয়েছি যেন পুনঃখোদাই করে হালনাগাদে সহযোগিতা করা হয়। সংযুক্ত প্রমাণাদি:জাতীয় পরিচয়পত্র,জিডির কপি,তিনটি গাড়ির কাগজপত্র ও ছবিঃ-জনগণের প্রশ্ন:
➡️ কে দিচ্ছে এই লাইসেন্সের ছায়ায় অবৈধ গাড়ি চালানোর সুযোগ? ➡️ সিটি কর্পোরেশন বারবার অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ➡️ কতদিন চলবে এই আধুনিক চাঁদাবাজি?
🛑 চাই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ:
✔️ লাইসেন্স ডিজিটাল ট্র্যাকিং
✔️ লাইসেন্স হস্তান্তর রোধে কড়া নজরদারি
✔️ চেসিস নম্বরহীন গাড়ির যাচাই-বাছাই ও পুনঃখোদাই
✔️ দালাল-চক্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা🗣️এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলা এখন সময়ের দাবি।প্রশাসনের দায়িত্ব,সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো—দালালের বাণিজ্য নয়!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category