শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু নরসিংদীতে ৭ বছর শিশুকে ধর্ষণ গ্রেফতার এক কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কোটালী পাড়ার যুবক নিহত

পটুয়াখালীতে প্রধান শিক্ষকের বেত্রাঘাতে দুই শিক্ষার্থী আহত, এলাকায় চাঞ্চল্য

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ মে, ২০২৫
  • ৪৫ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি::পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত শিক্ষার্থীরা হলেন- শওকত হোসেন সজিব (৯) ও তানভির ইসলাম (১০)। বর্তমানে তারা পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সেমাবার সকালে শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ প্রবেশ করে প্রধান শিক্ষক কোনো রকম কারণ ছাড়াই ওই দুই শিক্ষার্থীর ওপর চড়াও হন এবং একাধিকবার বেত্রাঘাত করেন। এতে শিক্ষার্থীরা গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছুদিন আগে প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের সমর্থনে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু ঐ দুই শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত না থাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিহিংসামূলকভাবে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ওই দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্কুলের কয়েকটি মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এসেছিল। তাই আমি তাদের শাসন করেছি। বিষয়টি এত দূর গড়াবে ভাবিনি।”

আহত সজিবের মা বলেন, “আমার ছেলে স্কুলে পড়াশোনা করতে যায়, শারীরিকভাবে নির্যাতন করার কোনো অধিকার কারো নেই। আমার ছেলের পিঠে গভীর কালসিটে দাগ পড়েছে, ডাক্তার বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।”

তানভিরের বাবা বলেন, “শিক্ষক যদি এমন আচরণ করেন, তাহলে আমরা কীভাবে সন্তানদের স্কুলে পাঠাবো? আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি বলেন, “একজন শিক্ষক জাতি গঠনের কারিগর। তার আচরণে যদি শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তবে তা সমাজের জন্য অশনি সংকেত। আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় অভিভাবকরা জানিয়েছেন ইতোমধ্যে একটি লিখিত অভিযোগ প্রস্তুত করেছেন এবং জেলা শিক্ষা অফিসকে বিষয়টি অবহিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category