রংপুর প্রতিনিধি::প্রতারক হাসিনার ফিরিস্তি ১ম পর্ব।রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (২০১৪)সালের নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৪র্থ শ্রেনী সুইপার পোস্টের চাকরি নেন নগরীর ধাপ সাগার পাড়া এলাকার মৃত্যু মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন মেয়ে হাসিনা বেগম (জোছনা ৪০)।
মেডিকেলে চাকরি জীবন শুরু থেকে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন এই হাসিনা।
স্থানীয় অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগী মামুন জানায় হাসিনা আমার প্রতিবেশি এবং ২০১৬ সালে আমি আইডিয়াল মোড়ে অভিজাত ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম নামে একটি ক্লিনিক ব্যবসার পরিচালক ছিলাম হাসিনা রংপুর মেডিকেলে চাকরি করতো তার পাশাপাশি আমার ক্লিনিকে রোগী দিত এক সময় তার সাথে আমার একটা ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় সেই সুবাদে হাসিনা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে আমার থেকে টাকা হাওলাত নিতো এবং তা ফেরতও দিতো।
হাসিনা আমাকে প্রস্তাব দেয় একজন লোক দেও আমি মেডিকেলে চাকরি নিয়ে দিবো,আমার মুক্তিযোদ্ধার কোটা আছে ও আমি যেহেতু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬/২০ গ্রেড কর্মচারী সমিতির মহিলা সম্পাদিকা আমার কোটা আছে তখন আমি তার কথায় বিশ্বাস রেখে তার প্রস্তাবে রাজি হই।
এবং আমার ছোট ভাই লিমনের চাকরির জন্য কথা বলি, হাসিনার সাথে কথা বলার পর সে যথারীতি প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে গত ২৭/০৫/২০২১ইং তারিখে দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় আমার বাড়িতে উপস্থিত হন।
উক্ত সময় আলোচনার এক পর্যায় আমার ছোট ভাই কে মাস্টাররোলে আপাতত চাকুরি পাইয়ে দিবেন।
কিছু দিন গেলে পারমানেন্ট করে দিবেন।
২০২১ সালে রংপুর মেডিকেলে নিয়োগের একটা ঝোক এসেছিলো এবং যেহেতু হাসিনা আমার ক্লিনিকে রোগী দিয়ে ব্যবসা করেন তাই তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে
তাকে নগদ ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা একযোগে প্রদান করি, এবং তখন হাসিনা Documents ও কর্জ টাকা দেখিয়ে ৩০০/- নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পসহ ২০/০৬/২০২২ইং তারিখে উল্লেখ পূর্বক হিসাব নং-0200003336370, চেক নং-11923770911আমাকে প্রদান করেন।
হাসিনা নাকি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সমিতির রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার মহিল সম্পাদিকায় ঢেঁকি মার্কায় নির্বাচন করেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সেলাই মেশিনের সহিত ৮ ভোটে হেরে যান।
ফলে তার নাকি চাকুরী দেবার ক্ষেত্রে ক্ষমতা হারায়।
চাকরি দিতে পারেননি উল্লেখ থাকে আগামী ৬ মাসের ভিতরে চাকরি দিতে না পারলে পুরো টাকা ফেরত দিবেন হাসিনা।
আমার আত্মীয়রা টাকার জন্য চাপ দিলে হাসিনা কালক্ষেপন করেন, চাকুরী দিতে পারেন নাই।
আমি তার সাথে না পেরে আমাকে দেওয়া চেক টি ডিজঅর্ডার করতে গেলে হাসিনা তা জানতে পেরে
গত ২৪/০৪/২০২২ তারিখ রাত অনুমান ৮.০০ ঘটিকা হাসিনা তাহার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর-০১৭৭৩০৮০৪৬৬ হইতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নং-০১৭৩০৮২৬৬৩০ এ ফোন করিয়া আমাকে আপাতত ১০,০০,০০০/- (দশলক্ষ) টাক ফেরত দিবে বলে রংপুর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস এর শহীদ মিনার সংলগ্ন রাস্তার পার্শ্বে দ্রুত দেখা করতে বলে।
আমি তাই আর দেরি না করে ২৪/০৪/২০২২ইং তারিখ রাত অনুমান ৮.৩০ ঘটিকায় রংপুর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পস এর শহীদ মিনার সংলগ্ন রাস্তার উপর পৌঁছা মাত্রই ৪ টি মোটর সাইকেল যোগে হাসিনা তাহার দুই ছেলে জাহিদ হাসান জনি, জয় ও অজ্ঞাত ভাড়াটে গুন্ডা হাসিনার হুকুমে আমার উপর হামলা চালায় এবং আমাকে মেরে ফেলার জন্য অস্ত্রসহ দাঙ্গা আমাকে ঘিরিয়া ধরে মারডাং পা ভাঙ্গা সহ হত্যার চেষ্টা করে ভয়ভীতি দেখিয়এ চলে যান।
পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন অর্থসার্জারী বিভাগের ৩১ নং ওয়ার্ডে।
এবিষয়ে রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানায় মামলা হয় যার জি.আর-৩৮৭/২২।
হাসিনা আমার থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে নগরীর পচ্চিম নীলকন্ঠে ৫ শতাংশ জমি কিনেন ও তার ছেলে কে মোটরসাইকেল কিনে দেন।
বর্তমানে তার অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার কারনে তাকে শাস্তি শোরূপ বদলি করেন টাঙ্গাইল ভুয়াপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
এর আগেও গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকার শুকুর উদ্দিন এর পুত্র সাইফুল ইসলাম এর সাথে সম্পর্ক গড়ে তার থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাকে ধাপ এলাকায় মোহাম্মদিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে মার ধোর করে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে রংপুর থেকে তারিয়ে দিয়েছে মুলত হাসিনার এটা ব্যবসা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়ে বলেন আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষ আর ঐ প্রতারক হাসিনার ছেলে রা আওয়ামী লীগের নেতা তা-ই তাঁরা ক্ষমতার দাপটে আমাকে জানে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল। এই প্রতারক হাসিনা ও তার পরিবারের বিচার করতে হবে যাতে সে আর কোনো পুরুষ কে এভাবে সর্বশান্ত করতে না পারে।
এখবর লেখা অবদি মেট্রোপলিটন ম্যাজিঃ মহোদয়ের আদালত, রংপুর দন্ডবিধি আইনের ৪০৬/৪২০ ধারার বিধান মোতাবেক আবেদন করেন ভুক্তভোগী।