রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কোটালী পাড়ার যুবক নিহত নরসিংদীর পলাশে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার এক ভাটারা থানার তৃণমূল পর্যায় রাজনীতি থেকে বেরে উঠা নাসির উদ্দিন পলাশ চট্টগ্রামে বলি খেলা ও বৈশাখি মেলা উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ বাণী সংগীত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও শিশু সংগঠনের ঝমকালো আয়োজন চট্টগ্রামে ডিবি পুলিশের অভিযানে সরকারি লুট হওয়া পিস্তল উদ্ধার চট্টগ্রামে মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত

ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রতিটি অন্যায়ের বিচার

মো শান্ত খান
  • Update Time : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৫ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি::ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: খোরশেদ আলম বলেছেন, নির্যাতন ও অবিচারের ১৭ বছর পর যখন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন থমকে গেলো, তখন তারেক রহমান আন্দোলনের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে আবারও সু সংগঠিত করে বিএনপিসহ রাজপথে নামিয়ে দিলেন। তখন কোটা আন্দোলন এক দফা আন্দোলনে পরিণত হলো। শেখ হাসিনা পতনের পর একটা অন্তবর্তী কালীন সরকার গঠন করা হলো।

এই সরকারের কাজ হল একটি সুষ্টু সুন্দর নির্বাচন দেওয়া। দেশে-বিদেশে আপনার অনেক সুনাম রয়েছে। কিন্তু মানুষের এই মৌলিক অধিকার নির্বাচনকে কেড়ে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগ ও পালাতে বাধ্য হবেন না।

আজ শনিবার সকালে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এর সময় এসব কথা বলেন তিনি।

মো: খোরশেদ আলম  বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে টেকনাফ থেকে তেতুলা পর্যন্ত হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মীরা সৃষ্টি হবে। তারেক রহমানের এ কর্মসূচির জন্য দলটি সু-সংগঠিত হচ্ছে। এতদিন যারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি’র পতাকা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সেই পরীক্ষিত নেতাদের সদস্যতা নবায়ন করা হবে। যারা জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শকে বিশ্বাস করে, তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া এবং জিয়া পরিবারকে ভালোবাসে তারাই সদস্য পদ গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন,বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের জনগণ আর ফ্যাসিবাদী শাসন চায় না। আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রতিটি অন্যায়ের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে।

জিয়াউর রহমানের পর যখন জাতীয়তাবাদী দলের কোন নেতৃত্ব ছিল না। তখন বেগম খালেদা জিয়ার গৃহবধূ থেকে এসে দলের হাল ধরলেন। সে চিন্তা করেছে, এই জাতীয়তাবাদী দলটি নেতৃত্বের অভাবে শেষ হতে দেওয়া যায় না। সে আপোষহীন ভাবে দলের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।

এই নেত্রীকে বিনা বিচারে নয়টি বছর গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। তাকে অসুস্থ করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যাকে ধানের শীষ প্রতিটা মনোনীত করবেন আমরা তার পক্ষে কাজ করে বিজয় অর্জন করব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category