বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু নরসিংদীতে ৭ বছর শিশুকে ধর্ষণ গ্রেফতার এক কোটালীপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কোটালী পাড়ার যুবক নিহত

পটুয়াখালীতে উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টায় সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১০৫ Time View

পটুয়াখালী প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কল্যাণকলস গ্রামে মোঃ রাহাত হাওলাদার, মোহাম্মদ আবুল ওহাব, মোঃ শাহজামাল ও মোঃ ফরহাদ হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে শাস্তির দাবিতে মানব বন্ধন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সদর রোডস্থ ভবনে আয়োজিত মানব বন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ শাহজামাল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় আবু জাফর ও আবুল কালাম গং পতিত স্বৈরাচারের অবৈধ ক্ষমতা খাটিয়ে তাদের বারবার নিপীরন করে আসছে। যার প্রেক্ষিতে তারা ২০১৫ সালে গলাচিপা থানায় ৫৭৬-১২ নং জিডি করেন।

পরবর্তীতে বিচার না পাওয়ায় ও পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকায় ওই চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা অভিযোগকারীদের কষ্টার্জিত সম্পদ ধ্বংস ও লুটতরাজের চেষ্টা করে। সম্প্রতি গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাহাতকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে অপহরণ করে মারধর করে আবুল কালাম গংরা এবং অস্ত্রের মুখে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়।

তাকে জোরপূর্বক অবৈধ কার্যকলাপ নিয়ে প্রতিবাদ না করার মুচলেকা নেওয়া হয়। ঘটনার পর থানায় জানালেও পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।
তিনি আরো বলেন, গত ২১ মার্চ তার ভাইয়েরা চাঁদাবাজী মামলায় জামিন নিয়ে বাড়িতে ফেরার পথে কালাম গংরা ফের হামলা করে। এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় সাধারন ডায়েরি নং ৯৪০ তারিখ ২২ মার্চ ২০২৫ দায়ের করা হয়।

কালাম জাফর গংকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কতিপয় নেতা সহায়তা করছে বরে দাবি করেন তিনি। এসময় তার বাকি তিন ভাই সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ মামলা না নিলেও তারা কেন আদালতের শরনাপন্ন হননি এবং অভিযুক্তদের মাদক ব্যাবসায়ী, অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানী ও ফ্যাসীষ্টের দোষর বলার কোন প্রমান আছে কিনা তা জানতে চাইলে কয়েকজন আওয়ামী লীগ ও অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে জাফরের তোলা ছবি ছাড়া অন্য কিছু দেখাতে পারেননি তারা। এ বিষয়ে শাহজামাল বলেন গত ১৫ বছরে তারা কেবল নির্যাতনের শিকারই হয়েছেন।

মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। তারা বিএনপি করার সুবাদে বরাবর জুলুম সহ্য করেছেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার মোঃ আবু জাফর বলেন, শাহজামাল এবং তার ভাইয়েরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। আমি নিজেও তাদের নির্যাতনের ভুক্তভোগী। নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে এলাকাবাসী তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়েছে।

কিন্তু আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে তারা জামিনে রয়েছে। তাদের শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এসব মামলা থেকে বাঁচতে ও ঘটনা অন্য খাতে ঘোরানোর চেষ্টা করছে তারা। আমরা সপরিবারে বিএনপি’র সমর্থক।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে আমার বাবা কলাগাছিয়া ইউনিয়নের গ্রাম সরকার ছিলেন। আমি ও আমার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে তারা আমাকে মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারির অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করছে। যারা অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাহাত, আবুল ওহাব, ফরহাদ বাবু ও শাহজামালের বিরুদ্ধে একাধিক চুরি, চাঁদাবাজি, মারামারি এবং ভয়ভিতি প্রদর্শন সহ জমিজমা দখল সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। ২০১১ সালে ২১/২০১১ নং সিআর মামলায় আবুল ওহাব, মোঃ ছালাম ও শাহজামালসহ একাধিক ব্যাক্তিকে আসামী করে মোঃ জাকির হাওলাদার মহিষ চুরির অভিযোগ করেন।

২০১৭ সালে জি আর ১০৮/১৭ নং মামলায় মোঃ রাহাত, মোঃ সালামসহ একাধিক ব্যাক্তিকে আসামী করে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন একই গ্রামের মোঃ আবু হানিফ। ২০২৫ সালে সিআর ১০/২০২৫ মামলায় মোঃ রাহাত ও আবুল ওহাবসহ একাধিক ব্যাক্তিকে কে আসামি করে চাঁদাবাজি ও খুন রকমের হুমকির অভিযোগ করেন মোঃ আবুল কালাম হাওলাদার।

এছাড়া মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ওরফে বারেক মাস্টারের প্রকৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে এ নিয়ে একাধিকবার শালিশ বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category