সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হায়দরগঞ্জ বাজারের মধ্য গলিতে ময়লার স্তূপ, চরম জনদুর্ভোগে সাধারণ জনগণ প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গার মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রগতিশীল ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে গোসিঙ্গায় মাঠে শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রায়পুরে অপহরণের পর হত্যা:প্রধান আসামী গ্রেফতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীর একাধিক ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন:অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আখাউড়া ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য ধ্বংস রায়পুরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা,আহত-৭ আশুগঞ্জে থানাধীন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অপর বন্ধু

ডুমুরিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১০২ Time View

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা
:- রবিবার সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলা অফির্সাস ক্লাবে ৩২তম আন্তর্জাতিক ও ২৫তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস,‌
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ,বিশেষ অতিথি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান,ডুমুরিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনা মজুমদার,ডুমুরিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন,
বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা প্রতিবন্ধি সভাপতি জাহিদ হাসান,কোষাধ্যক্ষ সন্জয় দাস,প্রমুখ।।
সুবর্ণ নাগরিক পরিচয় পত্র,কম্বল ও হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।
শারীরিকভাবে অসম্পূর্ণ মানুষদের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদর্শন ও তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যেই দিবসটির সূচনা হয়।
প্রতি বছর ৩ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হয়। সমাজের সব স্তরের কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ও উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এই দিবস পালনের লক্ষ্য। জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে এই দিবসটি ১৯৯২ সাল থেকে পালন করা হচ্ছে। প্রতিবন্ধীদের মর্যাদা সমুন্নতকরণ, অধিকার সুরক্ষা,প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালিত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপ অনুসারে, আমাদের দেশের প্রায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে প্রতিবন্ধিতার শিকার। প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের সাথে জাতীয় উন্নয়নের যোগসূত্র আছে। প্রতিবন্ধীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হলে তারা জাতীয় উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতায় প্রভূত অবদান রাখতে পারবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।
অধিকারকর্মীদের মতে,আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হলেও এর তাৎপর্য আমরা ঠিকভাবে উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছি। প্রায় এক যুগ হতে চলল- বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সনদে অনুস্বাক্ষর করেছে। কিন্তু এতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাগ্যের তেমন একটা পরিবর্তন হয়নি। বিশেষ করে যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা গ্রহণের হার আগের চেয়ে বাড়লেও চাকরির বাজারে দেখা যায়,অনেকেই যোগ্যতা অনুযায়ী টিকে থাকতে পারছে না। সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে উপবৃত্তি দিচ্ছে,ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে,কিন্তু সেবা গ্রহণের পথ এখনো সুগম হয়নি। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তি শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে অনেক হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতা। আর সেই দীর্ঘসূত্রতার প্রভাব পড়ে ভাতা পাওয়ার উপরও।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-২০১৭ এখনো মানা হচ্ছে না। দেশে এখনো প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতার অভাব সর্বত্র,কারণ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা মানছে না কেউ। তার জন্য কোনো শাস্তির ব্যবস্থাও দেখা যাচ্ছে না। এ ছাড়া গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনো প্রতিবন্ধীবান্ধব নয়। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বৈষম্য বিরাজমান। প্রতিবন্ধীর জন্য আলাদা কোটা ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নেই। তাদের অধিকার ও সুরক্ষা আইনের কমিটিগুলোও কার্যকর নয়। যার কারণে তাদের অধিকার অর্জনে কোনো অগ্রগতি নেই।
ফলে তারা কর্মসংস্থান,শিক্ষা,সামাজিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সমান সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
আলোচনা সভা শেষে প্রতিবন্ধীদের মাঝে ৩শত পিচ কম্বল হুইল চেয়ার ও পরিচয় পত্র প্রদান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category