বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের কমিটি ঘোষণা,সভাপতি সফি খাঁন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর খন্দকার টিউটর বিরল সীমান্তে বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার নরসিংদীর শিবপুরে গনহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত আস-সালাম ফাউন্ডেশনের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সিলেট উত্তরা পেট্রোল পাম্পে কর্মচারীকে ছুরিকাঘাতের ৩ আসামি গ্রেফতার নওগাঁর সেফটি ট্যাংকে মিতুর লাশের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন সাপাহারে ১৬ বিজিবি কর্তৃক সীমান্তে অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার চট্টগ্রামে ইমরানের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দিলেন মানবতার ফেরীওলা সাঈদ আল নোমান সরাইলে আলোচিত নয় বছরের কন্যা’শিশু মাইমুনা আক্তার ময়নার সাথে সেদিন কী ঘটেছিল চট্টগ্রামে বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

নওগাঁর সেফটি ট্যাংকে মিতুর লাশের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ২৮ Time View

নওগাঁর সেফটি ট্যাংকে মিতুর লাশের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:-নওগাঁয় মিতু বানু নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ।তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই)ব্যবহার করে দীর্ঘ দেড় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত চার ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার(১০ মার্চ)দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—জাহান আলী,সামিদুল,সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়,গত ২৬ জানুয়ারি সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মিতু বানুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ।আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায়,মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মিতুকে নওগাঁ শহর থেকে ওই গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছিল।সেখানে অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়া এবং টাকার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আসামিরা মিতুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।পরে রেন্টুর পরামর্শে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় তারা।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন,এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল।তবে আমাদের তদন্ত দল তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই(AI) ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সামিদুল ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশ আরও জানায়,মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে লাশ গুম করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এই চারজন সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল।দেড় মাস ধরে তারা আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি।গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category