শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি:
ডুমুরিয়া (খুলনা) শীতের প্রারম্ভে দুই ঋতুর মাঝ বরাবর বৈচিত্রময় স্নিগ্ধ সকালে শিশির ভেজা হলুদ বর্ণের সরষে ফুলের ডগায় ফোঁটা ফোঁটা শিশির বিন্দু।হলুদের চাদরে ঢাকা বিস্তৃত ফসলের মাঠ।চির সবুজের বুকে এ যেনো কাচা হলুদের আলপনা।ঋতুচক্রের এমন নতুন রূপকে কবি সাহিত্যিকরা নানাভাবে বর্ণনা করেছেন।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের কথায়‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া,ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া,একটি ঘাসের শিষের উপর একটি শিশির বিন্দু’,যুগে যুগে যথার্থই৷
হেমন্তের ফসল তুলতে না তুলতেই শীতের আগমনে সরিষার হলুদ ফুলে ভরে গেছে ডুমুরিয়া মাঠ।সবুজ বাংলাদেশ।শ্যামল বাংলাদেশ। শীতকালে বাংলাদেশের গায়ে জড়ায় হলুদ চাদর।সরষের হলুদ ফুলে ফুলে ভরে গেছে মাঠের পর মাঠ।যেদিকে চোখ মেলানো হয় শুধু হলুদ আর হলুদ।একবার দেখলে চোখ ফেরানো যায় না। যেন কেউ বাসন্তী রঙ’র শাড়ি গায়ে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এ রূপ চিরায়ত রূপসী বাংলার।গ্রাম বাংলার দিগন্ত রেখায় মিলেছে হলুদের মেলা।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন,চলতি মৌসুমে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় ৪ শত ২০ হেঃ জমিতে সরিষা আবাদে,সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহে সজ্জিত এবং সরিষার প্রতিটি ফুলের ন্যায় দুলছে জেলার মসগ্র কৃষকের মুখে রঙিন স্বপ্নের হাসি।মাঠ ভরা সরিষা ক্ষেতের হলুদ মাঠে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে মৌমাছিরা মনের আনন্দে মধু সংগ্রহে ব্যাস্ত।মৌমাছি মধু আহরনে যত ব্যাস্ত সময় পার করবে তত বেশী লাভবান হবে কৃষকরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ডুমুরিয়া সূত্র অনুযায়ী,চলতি রবি মৌসুমে হেক্টর প্রতি ১,৪ মেঃটন ফলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সরিষা আবাদের ৫শত ৭০টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।