মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মন্ডল নওগাঁয় দীর্ঘদিনের প্রেম,পালিয়ে বিয়ে অতঃপর স্ত্রীর গহনা নিয়ে প্রেমিক স্বামী উধাও মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের পথচারী ও রোজাদারদের মাঝে মাসব্যাপী ইফতার বিতরণের ২৬ তম রমজান আজ সিএমপি কর্তৃক বাংলাদেশ পুলিশ বার্ষিক আযান, ক্বিরাত ও রচনা চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ কাজিপুরে প্রশাসনের অভিযানে জঙ্গল থেকে ৯৫ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ১ নং মৌগাতী ইউনিয়নের যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল কদ্দুছ সুনামগঞ্জের লাল পুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে আহত-৩ সুনামগঞ্জ পৌর শহরে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলসহ ৩ মাদক কারবারী গ্রেফতার

ময়মনসিংহের মালাইকারী মিষ্টি এখনো সেরা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭৭ Time View

উজ্জ্বল চৌধুরী:স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ:-দিনে দিনে ময়মনসিংহের মিষ্টির বাজারে বড় পরিবর্তন এসেছে। যোগ হয়েছে বাহারি নামের মিষ্টি। কিন্তু নতুন নতুন নাম আর স্বাদের ভিড়ে একটুও কদর কমেনি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী মালাইকারী মিষ্টির। সাধারণ মিষ্টির ওপর দুধের ক্ষীর লাগিয়ে তৈরি করা হয় ।
মালাইকারী মিষ্টির প্রচলন ময়মনসিংহেই,প্রায় ১০০ বছর আগে। এখন ময়মনসিংহ নগরের নামকরা সব দোকানেই তৈরি হয় মালাইকারী। ময়মনসিংহের কবি আহমদ জামাল জাফরী বলেন,আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি মালাইকারী মিষ্টি। এটি স্বাদে অতুলনীয়। দিনে দিনে মালাইকারী মিষ্টি ময়মনসিংহের অন্যতম ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে। অনেক জাতের মিষ্টির ভিড়ে মালাইকারীর কদর এখনো অনেক বেশি।
মালাইকারী মিষ্টি তৈরির পেছনে একটি গল্প আছে। ময়মনসিংহের প্রথম মিষ্টির দোকান নগরের স্বদেশি বাজারের জানকী নাগ সুইটস মিটে’প্রথম মালাইকারী তৈরি হয়। দোকানটির পঞ্চম প্রজন্মের স্বত্বাধিকারী তপন নাগ জানান সে গল্প। তিনি বলেন,মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর সময়ের কথা। জমিদারবাড়ির একটি শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের জন্য মিষ্টির অর্ডার আসে জানকী নাগে। বলা হয় বিশেষ স্বাদের ব্যতিক্রমী কোনো মিষ্টি যেন তৈরি করে দেওয়া হয়। শশীকান্তের এমন ইচ্ছা পূরণের জন্য জানকী নাগের তৎকালীন স্বত্বাধিকারী বদ্রী নারায়ণ নাগ মালাইকারী মিষ্টি তৈরি করে জমিদারবাড়িতে পাঠান। এর পর থেকে নিয়মিতভাবে এই মিষ্টি তৈরি করতে থাকেন তাঁরা। সাধারণ মানুষও খুব আগ্রহ নিয়ে এই মিষ্টি কিনতেন। দিনে দিনে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দুধের ছানা দিয়ে গোলাকার মিষ্টি তৈরির পর সেটি মাঝ বরাবর কেটে দুই ভাগ করা হয়। পরে প্রতিটি ভাগের ,বুক’বরাবর দুধের তৈরি ক্ষীর লাগানো হয়। এভাবেই তৈরি হয় ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি মালাইকারী। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মণ্ডার পর মালাইকারীও ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। ময়মনসিংহের আরেকটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান‘কৃষ্ণা কেবিন।এর অন্যতম স্বত্বাধিকারী রঞ্জিত বসাক বলেন, ১৯৫৮ সালে কৃষ্ণা কেবিন প্রতিষ্ঠা হয়। শুরু থেকেই তাঁরা মালাইকারী তৈরি করেন। খুচরা বিক্রির পাশাপাশি তাঁদের মালাইকারী ময়মনসিংহ ও পাশের জেলা নেত্রকোনার মিষ্টি বিক্রেতারা পাইকারী দরে কিনে নেন। ময়মনসিংহে মালাইকারীর দাম প্রতি কেজি ৪০০ টাকা। প্রতি কেজিতে ১৫টির মতো মালাইকারী ধরে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category