শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কলাগাছের পাতা কাটা নিয়ে ঝগড়ায় এক ঘুষিতে প্রাণ গেল সিএনজি চালকের আঙ্গুলের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে বললেন:পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জ‘ল’কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিএনপির মন্ত্রিপরিষদে কসবা টেকনোক্রেট মন্ত্রীর দাবি দলীয় কর্মীদের রায়পুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নরসিংদী জেলা মডেল প্রেসক্লাব এর উদ্যোগে এতিমদের সাথে ইফতার ও দোয়া মাহফিল ‎সুনামগঞ্জ সদরে সচিব জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে হামলায় আহত-২ ইপিজেডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল শাখার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আশুগঞ্জে কাভার্ডভ্যান ভর্তি ভারতীয় পণ্যসহ-২ চোরাকারবারী গ্রেফতার রায়পুরে মিজানুর রহমান সরদারের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বরেন্দ্র ভূমির পাহারায় থাকা বিএমডিএ জনবল সংকটে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৮ Time View

বরেন্দ্র ভূমির পাহারায় থাকা বিএমডিএ জনবল সংকটে

জাহাঙ্গীর আলম মানিক,সাপাহার(নওগাঁ) প্রতিনিধি:-নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার লালডাঙ্গা গ্রামের মো.মোক্তার হোসেন বলেন, ১৯৮৫ সালে পূর্বে লাল কংকরময় মাটির উঁচু-নিচু টিলা,ছায়াহীন এক রুক্ষ প্রান্তর বরেন্দ্র অঞ্চল। চোখের দৃষ্টিসীমায় রোদে পোড়া বিরান ফসলের মাঠ।কোথাও পানির ছিটেফোটাও নেই।চৈত্রের কাঠফাটা রোদে প্রাণ ওষ্ঠাগত শীর্ণকায় কৃষক, তার চেয়ে অধিক শীর্ণকায় তার হালের বলদ। দূরে বহুদূরে তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে,মাঝে মাঝে বাবলা আর ক্যাকটাসের বেড়া।এই হলো বরেন্দ্র ভূমি।এই বরেন্দ্র ভূমি পাহারা দিচ্ছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(বিএমডিএ)।

বিএমডিএ’র প্রয়াত চেয়ারম্যান ও নিবার্হী পরিচালক ড.এম আসাদুজ্জামানে হাত দিয়ে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে জনবল সংকটে পড়েছে।গভীর নলকূপ চললে ভাত মিলে বলে জানালেন গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো আতাউল ইসলাম।

তিনি বলেন,১৯৮৫ সালের আগে আমাদের এলাকায় বছরে একটি ফসল হতো।সেটাও বৃষ্টির পানিতে।একরে ১৫ থেকে ২০ মণ ধান হতো। তবে যেবার বৃষ্টি সময়মতো হতো না,কৃষকের ঘরে ফসলের দেখা মিলতো না।চলমান সময় একরে ৮০ থেকে ৯০ মণ পর্যস্ত ধান হয়।কিছু কিছু জমিতে তিনটির বেশি ফসল হয়।বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(বিএমডিএ)স্থাপিত গভীর নলকূপের পানি গম,ধান,শাক-সবজি,আমের বাগানসহ সব ধরনের ফসল উৎপাদনের ব্যবহার হয়।যদি নলকূপ না থাকে বা পানির ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায় তবে দেশের উত্তরাংশ আগের মতো মরুতে পরিণত হবে। খাবারের হাহাকার শুরু হবে।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(বিএমডিএ)সেচ অবকাঠামো পুর্নবাসনের (আরআইআইপি) প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মুহাম্মদ মতিউর রহমান ভিউজ বাংলাদেশকে বলেন,বিএমডিএ কর্তৃক পরিচালিত বেশ কিছু গভীর নলকূপের বয়স প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ বছর। সাধারণত গভীর নলকূপের কর্মক্ষমতা ২০/২৫ বছর হয়ে থাকে।বর্তমানে ঐ সকল গভীর নলকূপে ব্যবহৃত মালামালের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন ফিল্টার, হাউজিং,পাইপ,মোটর ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পানির সাথে বালি ও পাথর বের হয়ে আসার ফলে যে কোনো সময় গভীর নলকূপ গুলো অচল/অকেজো হয়ে পড়ছে এবং সেচ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে।এই অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সেই গভীর নলকূপগুলো পুনঃ খনন করে সেচ কাজে ব্যবহার করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন,সেচ অবকাঠামো পুর্নবাসনের (আরআইআইপি)মাধ্যমে যে গভীর নলকূপগুলো অচল/অকেজো হয়ে পড়ছে এবং সেচ বাঁধাগ্রস্থ সেই নলকূপগুলো খনন করে পানির ব্যবস্থা করা হয়।প্রকল্পটি চালাতে বিএমডিএ’র নিজস্ব অর্থায়নে করা সম্ভব নয়।শুধু এটি নয় প্রয়োজনীয় চলমান প্রকল্প চালু থাকা দরকার।

ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়,প্রাচীনকালে বরেন্দ্র ভূমির চিত্র ভিন্ন ছিল।খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দ থেকে শুরু করে বৌদ্ধ ধর্ম ও কৃষ্টির প্রসারকালে এ অঞ্চল কৃষি ও শিল্পসমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল।এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশও সে সময় বেশ চমৎকার ছিল।

ইতিহাসবিদ নেলসনের(১৯২৩)মতে বরেন্দ্র অঞ্চল জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল।উইলিয়াম হান্টারের (১৮৭৬) বর্ণনামতে বাংলার প্রায় সব ধরনের গাছই এ অঞ্চলে পাওয়া যেত।আম,জাম,তেঁতুল,তাল, খেজুর,বট,পাইকড়,শিমুল,বাবলা,বরই,বাঁশ, বেতসহ অসংখ্য লতাগুল্মের প্রাচুর্য ছিল এ বরেন্দ্র ভূমিতে।

কিন্তু বৃটিশ শাসনামলের সময় লোকসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কৃষি জমির সম্প্রসারণ,বসতবাড়ি স্থাপন,শিল্পে কাঁচামালের যোগান,আসবাবপত্র ও গৃহনির্মাণ সামগ্রী,জ্বালানী হিসেবে কাঠের ব্যাপক ব্যবহার,রাস্তা,বাঁধ ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণের কারণে তিলে তিলে ধ্বংস হয়েছে অত্র এলাকার বনভূমি।মূলত ওই সময় থেকেই এ অঞ্চল মরূকরণ প্রক্রিয়ার শুরু হয়।

পরিবেশের স্বাভাবিক নিয়মে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়।দেশের বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত যেখানে ২৫০০ মি.মি.সেখানে এ অঞ্চলে তা ১৪০০ মি.মি.এর বেশি নয়।ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের দেশ থেকে নেমে আসা প্রায় সকল নদীতে বাঁধ সৃষ্টি/স্থাপন করায় অধিকাংশ নদীই (মহানন্দা,আত্রাই,পূর্ণভবা,শিব,পাগলা, করোতোয়া,তিস্তা)শুকনো মৌসুমে প্রায়ই শুকিয়ে যায়।এছাড়াও নদী বা খালে পানির প্রবাহ না থাকায়/কমে যাওয়ায় পলি জমে অধিকাংশ নদ-নালা,খাল-বিল ভরাট হয়ে পর্যাপ্ত পানি ধারণ ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে।ফলে এ অঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎসও খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়ে।

এসব নানা কারণে এ অঞ্চলের জমিগুলো ছিল বৃষ্টিনির্ভর একফসলী।যথ সময়ে বৃষ্টিপাত না হলে একটি ফসল উৎপাদনও ব্যহত হতো।বৃষ্টিনির্ভর বোনা আমন ফসলের পর বছরের বাকি সময় জমিগুলো গোচারণভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দীর্ঘ কাদাস্তর ভেদ করে মাটির গভীর আধার থেকে ভূ-গর্ভস্থ পানির উত্তোলনও সহজ ছিল না। তাই সেচ কার্যক্রম তো দূরের কথা এলাকাবাসী খাবার পানিসহ গৃহস্থালীর নানা কাজে পুকুর, খাল বিলের পানি ব্যবহার করতো।ঠিকভাবে ফসল উৎপাদন না হওয়ায় এ এলাকার জনসাধারণ অত্যন্ত দরিদ্র ছিল।তারা তিন বেলা পেটপুরে খেতে পেত না।এমনকি অনেক জোতদারেরাও অভাবি ছিল।তাই কাজের সন্ধানে এখানকার জনসাধারণ নিয়মিত অন্যত্র গমন করতো।

মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের স্বল্পতার কারণে এ অঞ্চলে প্রচলিত গভীর নলকূপ দিয়ে সেচ কাজ সম্ভব ছিল না।সেই প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে এ অঞ্চলের তৎকালীন বিএডিসি’র প্রকৌশলীগণ এক বিশেষ ধরণের গভীর নলকূপ উদ্ভাবন করে ভূ-গর্ভস্থ পানি দিয়ে সেচের সুযোগ সৃষ্টি করেন।বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি)আওতায় বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এ অঞ্চলে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়।

প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৫ টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।গভীর নলকূপ স্থাপন ও পুকুর-খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করা,বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মরু প্রক্রিয়া রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা ও যাতায়াতের জন্য ফিডার রোড নির্মাণ করা ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

সময়ের স্বল্পতা,অর্থায়নের প্রতিকুলতাসহ নানাবিধ প্রশাসনিক জটিলতায় প্রকল্পের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়,কিন্তু অল্প সংখ্যক হলেও উল্লেখিত কার্যক্রমসমূহ এ এলাকার মানুষের মনে বিরাট আশার আলো জাগায়।বরেন্দ্র এলাকার বিরানভূমিতে সোনালী ফসলের অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে পরবর্তীতে সমগ্র বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সালের ১৫ জানুয়ারি রাজশাহী,নওগাঁ ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সকল(২৫টি) উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে বিএমডিএ নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়।

বিএমডিএ’র কুড়িগ্রাম রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী ড.মোঃ এজাদুল ইসলাম জানান, বরেন্দ্র এলাকার কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়ন এবং সেচ অবকাঠামো উন্নয়নসহ সেচ এলাকা ও আবাদী জমি সম্প্রসারণ,মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ এবং আবহাওয়া ও পরিবেশের উন্নয়নে ফলদসহ অন্যান্য বৃক্ষরোপণে কাজ শুরু করে কৃষি সেক্টরে সফলতার সাথে এগিয়ে চলেছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।বরেন্দ্র এলাকাকে দেশের শস্যভাণ্ডারে রুপান্তর এবং মরুময়তা রোধকল্পে বনায়ন ও সম্পূরক সেচের জন্য খাস খাল-দিঘী পুনঃখনন ছাড়াও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য বাজারকরণ এবং জীবণযাত্রার মান উন্নয়ন করার কাজ শুরু করে বিএমডিএ।

তিনি বলেন,সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের উন্নয়ন ও যথাযথ ব্যবহার,কৃষি যান্ত্রিকিকরণ,বীজ উৎপাদন,সরবরাহ শস্যের বহুমুখীকরণ,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ রোপন ও সংরক্ষণ,সীমিত আকারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষণ,সেচযন্ত্র স্থাপন এবং লোকালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ,গবেষণা ও প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্দেশ্যে বিএমডিএ’র কার্যক্রম শুরু করা হয়।তবে নিয়মিত জনবল সংকটের জন্য কিছুটা বিঘ্নিত হয় বাস্তবায়ন কার্যক্রম।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ১৬ জেলায় ১৫৭৯৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন করেছে। ১৩৫০১ কিলোমিটার এলাকায় সেচের পানি বিতরণ ব্যবস্থা নির্মাণ,৫৩২টি এলএলপি স্থাপন,১১৯টি সৌরশক্তি চালিত এলএলপি,২০২৪ কি.মি.খাস/মজা খাল পুনঃখনন,৭৪৯টি ক্রসড্যাম নির্মাণ,১১টি নদীতে পল্টুন স্থাপন,৩১৪০টি খাস/মজা পুকুর পুনঃখনন,১০৮৫০ হেক্টর জলাবদ্ধতা নিরসন- নওগাঁ জেলার রক্তদহ বিল,টেপাবিল,মনছুর বিল এবং রাজশাহী জেলার ছত্রগাছা বিল,দেবর বিল ইত্যাদি বিলের ৫৭২টি সোলার ডাগওয়েল নির্মাণ এবং ১১৪৪ কি.মি. সংযোগ রাস্তা নির্মাণ করেছে।

১৫৭৯ টি পরিবারের খাবারপানি সরবরাহের জন্য ওভারহেড ট্যাংক নির্মাণ,বনায়নের লক্ষ্যে ২ কোটি ৫৮ লাখ গাছ লাগানো,প্রতি বছর ৬০০ মে.টন বীজ উৎপাদন,১ লাখ ৪৮ হাজার ২১৮ কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত: আউস- ২২ হাজার হেক্টর, আমন- ৩ লক্ষ ৬২ হাজার হেক্টর ও রবি- ২ লক্ষ ৬০ হাজার হেক্টর। এবং ,২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত: আউস- ৮০ হাজার ৬০০ হেক্টর, আমন- ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার হেক্টর ও রবি- ৬ লক্ষ ২৯ হাজার হেক্টর জমি পানি সরবরাহ করছে বিএমডিএ।

বিএমডিএ থেকে প্রাপ্ত,রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখার জন্য বিএমডিএ দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।বর্তমানে এখানে বেশ জনবল সংকট দেখা দিয়েছে।কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটিকে জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। ৭২৬ জনবল দিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।২০০৮ সাল থেকে জনবল নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠাটিতে আরো ১৯১১ জন জনবল প্রয়োজন।জনবল সংকটের কারণে ঢিমেতালে চলছে কার্যক্রম।আরো উপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে নতুন একটি অর্গানোগ্রাম প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।অর্গানোগ্রাটি অনুমোদিত হলে দুটি বিভাগের কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ কর্মরত জনবলের দীর্ঘদিনের হতাশা দূর হবে।

বিএমডিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব)(ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়ন ও নির্মাণ-ডিজাইন অনুবিভাগ)ড. মো: আবুল কাসেম বলেন,জনবল সংকট রয়েছে।এটার জন্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category