বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে যাটিকা অভিযান ভৈরবে গাঁজা বহনের সময় তিন নারীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় নিহত বাংলাদেশী প্রবাসী মহসিনের পরিবারের পাশে:এমপি সাঈদ আল নোমান সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের পিতার ইন্তেকাল হালিশহর বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করলেন:সাঈদ আল নোমান সালথায় স্ত্রী-সন্তানকে খুঁটির সাথে বেঁধে নির্যাতন কারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সালথায় সাধারণ ছাত্রদের মাঝে ছাত্রশিবিরের কোরআন শরীফ বিতরণ হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে পানি চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পুলিশ সদস্যদের মাঝে চেক বিতরণ অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও বালু ভর্তি বাল্কহেডসহ ৩ জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ

সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. ইউনূস ও বেগম খালেদা জিয়া

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৭ Time View

সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. ইউনূস ও বেগম খালেদা জিয়া

ঢাকা,২১ নভেম্বর ২০২৫, নিউজ ডেস্ক:-এক বছর পর আবারও সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে এলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি আসনে বসে বেগম খালেদা জিয়া সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

আজ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় গুলশানের বাসা থেকে তিনি সেনাকুঞ্জে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।

গাড়ি থেকে নেমে হুইল চেয়ারে করে অনুষ্ঠানস্থলে যান বেগম খালেদা জিয়া। এসময় তিনি হাত নেড়ে তাকে অভিবাদনের জবাব দেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৌঁছালে বিকাল ৪টার পর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।এরপর প্রধান উপদেষ্টা বক্তব্য দেন।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

এর কিছুক্ষণ পর সেনাকুঞ্জে পৌঁছেন বেগম খালেদা জিয়া।প্রধান উপদেষ্টা তখন ঘুরে ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছিলেন। অনুষ্ঠানস্থলে বেগম খালেদা জিয়ার আগামনি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সবার নজর ঘুরে যায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর দিকে।

শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একান্তে কয়েক মিনিট কথা বলেন বেগম খালেদা জিয়া।পরে তারা যান মূল অনুষ্ঠানস্থলে।

সেখানে পাশাপাশি আসনে বসে বর্তমান ও সাবেক সরকার প্রধানকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায়।অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়া বিকাল ৪ টায় গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।তার সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন, তার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াত ভাই সাঈদ ইসকান্দারের স্ত্রী নাসরিন ইসকান্দার।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার,এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস,আবদুল মঈন খান,আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী,সালাহ উদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা সেনাকুঞ্চের এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান,জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম,নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না,বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক,বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব,গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি,এডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরদাদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান হাসনাত কাইয়ুম,লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও সেনাকুঞ্চের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন।

ছয় বছর পর গতবছর এই সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানেই প্রকাশ্যে দেখা দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

নানা ধরনের অসুস্থতার কারণে এখন তিনি রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেন না। গত এক বছরের মধ্যে কেবল একবারই তাকে প্রকাম্যে দেখা গিয়েছিল। গত ৮ অক্টোবর রাতে তিনি তার স্বামী,প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতে শেরেবাংলা নগরে গিয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা,নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রতিবছর দিনটি ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ।

দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবেই সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়,যাতে রাজনৈতিক নেতা,প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, কূটনীতিক ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category