মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
র‍্যাব সদস্যকে হত্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় যৌথ অভিযান,অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে:পরিবেশমন্ত্রী জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন:প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেত্রকোণায় ঐতিহাসিক তিলকখালি খাল খনন কাজের উদ্বোধন:অধ্যাপক ডা.মো.আনোয়ারুল হক এমপি সালথায় জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল কসবা থানা পুলিশের অভিযানে ১৭২ কেজি গাঁজা উদ্ধার নেত্রকোনার পূর্বধলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা বেইলি ব্রিজ পার হচ্ছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সাপাহারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপিত

পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের আকাল, জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মাঝে হতাশা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৭৩ Time View

ইমরান হক – স্টাফ রিপোর্টার:- চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে চাহিদার তূলনায় ইলিশের প্রাপ্যতা অনেক কমেছে। যে কারণে অনেকটা অবসর সময় কাটাচ্ছেন জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। আর যে সব ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে তা সাইজে খুবই ছোট। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ পাওয়াগেলেও সংখ্যায় খুবই কম। জেলে নৌকা পুরোদিন নদীতে চড়ে বেড়িয়ে হাজার থেকে ১২০০টাকার বেশি ইলিশ বিক্রি করতে পারেন না। রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিণা ফেরিঘাট সংলগ্ন আড়তগুলোতে গিয়ে দেখাগেছে অধিকাংশ মৎস্য ব্যবসায়ীরা বসে গল্প করে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। আধা ঘন্টা থেকে ১ ঘন্টা পরে একজন জেলে ইলিশ নিয়ে আসছেন। আর মুহুর্তের মধ্যে সেই ইলিশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

হরিণাঘাট এলাকার জাহাঙ্গীর আলম নামে জেলে জানান, তিনি দুপুরে এক নৌকায় দুইজন ইলিশ ধরতে নেমেছেন। ছোট সাইজের দুই হালি ইলিশ পেয়েছেন। ডাকে তা বিক্রি হয়েছে ৭০০টাকা। অনেক সময় খালি হাতেও ফিরতে হয়। তখন জালানির টাকাও উঠে না। এই ঘাটে শতাধিক জেলে নৌকা আছে। এসব জেলেরা কেউ দিনে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকার বেশী ইলিশ বিক্রি করতে পারেন না।ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী বিল্লাল ছৈয়াল জানান, সারাদিন বসে থেকেও ইলিশ বিক্রি করতে পারেননি। শীত মৌসুম হিসেবে ইলিশের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও ক্রেতারা এসে ফিরে যায়। মূলত এই ঘাটে ইলিশ খুচরা বিক্রেতারাই বেশী ক্রয় করেন। একই ঘাটের আরেক মাছ ব্যবসায়ী মো:ইসমাইল জানান,এখন প্রতিদিন গড়ে ১৩-১৪টি আড়তে ৪-৫মণ ইলিশ বিক্রি হয়। প্রতিহালি ছোট সাইজের ইলিশ বিক্রি হয় ৩৫০-৪০০টাকা। ওজন হবে ২৫০-৩০০ গ্রাম। আর ৬০০-৭০০ গ্রামের ইলিশ প্রতি হালি বিক্রি হয় ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা। তিনি আরো জানান,নদীতে জেলেরা ইলিশ আহরণ করতে নামলে অনেক সময় নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের অভিযানের মুখে পড়ে। কারণ কারেন্টজাল দিয়ে ইলিশ আহরণ বছুর জুড়েই নিষিদ্ধ। যে কারণে নদীতে জেলেরা কম যায়। কারণ সুতার জালে মাছ কম পাওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category