মোস্তাক আহমেদ ( বাবু ) :
রংপুরের পীরগাছায় সুখানপুকুর গ্রামের গৃহবধূ (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)তাহার গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করেন,একই এলাকার বাসিন্দা মিন্টু নামের এক যুবক, পরে তাকে ভিডিও চিত্রের কথা বলে কু প্রস্তাব ও ৫ লক্ষ টাকা অর্থ দাবী করে হুমকি দেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত যুবক কে গ্রেফতার করেছে পীরগাছা থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,আটক মাহমুদুল হাসান মিন্টু (২৪)পীরগাছার সুখান পুকুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।
অভিযুক্ত মিন্টু কে অপরাধের প্রমানসহ স্থানীয়লোকজনের সহযোগিতায় তার একালা থেকে ১৫ ই ডিসেম্বর রাতে আটক করে পীরগাছা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম ।
পরে ভুক্তভুগীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পর্ণগ্রাফি আইন ২০১২ মামলা করা হয়।পীরগাছা থানার মামলা নং ০৭ /২৬০ – এ গ্রেফতার দেখিয়ে ১৬ ই ডিসেম্বর শনিবার তাকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভুগীর করা অভিযোগে বলেন,মোবাইল ফোনে তাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হলে,তাহার নিজ বাসার গোসল খানায় গোসল করা অবস্থায়,গোপনীয় ভাবে ছবি ভিডিও করে হেয় প্রতিপন্ন করিবে বলিয়া,ভদ্র মহিলার ফেসবুুক
আইডিতে ধারণকৃত গোপন ভিডি ও ছবি পাঠিয়ে দেন।
ফেসবুকে ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা দাবি করে হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকে,এ বিষয়ে ঐ ভদ্র মহিলা তাহার স্বামিকে সব কিছু খুলিযা বলে।
তাহার স্বামী মাহামুদুল হাসান মিন্টু কে ধরার জন্য ভাল বাসার প্রলভন দিয়ে দেখা করতে বলেন,ঐ মহিলা স্বামীর পরাশর্ম ক্রমে কাজে লাগে পড়েন।এবং এলাকা বাসির কিছু বিশস্ত লোক জনের সহযোগীতার মাধ্যমে ১৫ ডিসেম্বর আসামিকে আটকে রেখে তাহার ব্যবহীত মোবাইল ফোন চেক করে গোসলের গোপনীয় ভিডিও ও হুমকি ধামকির প্রমান নিশ্চিত হয়।
এই বিষয়ে এলাকার বাসির সাথে কথা বলে জানা যায় আসামীর,বিরুদ্ধ আরো কিছু মহিলা সাথে আসামির এরুপ অপকৃর্তির তথ্য পাওয়া যায়,আসামি সব সময ক্ষমতা দেখিয়ে অসামাজিক কাজ গুলো করে বলে জানান অনেক স্থানীয় বাসিন্দা।
তাকে আটক করলে তার সঙ্গে মোবাইলে প্রমান পাওয়া যায় যে এই সে ব্যক্তি পরে এ বিষয়ে পীরগাছা থানা পুলিশকে জানালে তারা দ্রুত ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে অপরাধের প্রনান সহ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে তাকে – প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে আসামী তার অপরাধের কথা শিকার করে ও তার মোবাইল ফোনে ভুক্তভুগী র ভিডিও ছবি সহ একাধিক ভিডিও ও ম্যাসেজের ছবি আছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আনিছুর রহমান।
এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সেলিমুর রহমান সেলিম বলেন,আমরা অভিযোগ পেয়ে তাকে ধরার জন্য নানা কৌশল করে একপর্যায়ে তাকে প্রমান সহকারে ধরতে সক্ষম হয়েছি।।
তারহার বিরুদ্ধে পর্ন গ্রাফি আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে,বর্তমান সময়ে কিছু কিছু উত্তিবয়সের ছেলে এধরণের অপরাধের সাথে জরিয়ে পড়ছে।
এই বিষয়ে মিন্টুর এলাকায় গিয়ে জানা যায় সে এধরণের আরো অপরাধ করতে পারে তাই বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে ব্যপক জিজ্ঞাসা করে কঠিন শাস্তির দাবী জানান এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবার।