শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫০ নারী সদস্যের টাকা আত্মসাৎ সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে রোগীদের চরম ভোগান্তি অর্থনীতির কঠিন সন্ধিক্ষণ বিনিয়োগ স্থবির, দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী—কঠিন পরীক্ষায়:আমীর খসরু নরসিংদীর শিবপুরে চাঁদাবাজ মাদক মুক্ত করবেন: এমপি মনজুর এলাহী জিম্মি করে টাকা আদায়ের কারখানা বিএমডিএ’র সাপাহার জোন পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মাসব্যাপী পথচারী রোজাদারদের জন্য ইফতার বিতরণের আয়োজন চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করেন সিএমপি কমিশনার নরসিংদীর আব্দুল হান্নান মানিকের গাড়িতে ৩ স্টার তিন স্টার ব্যাস পতাকা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে রতন শেখ যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান ও উন্নতি দৈনিক শেষ সংবাদ-এর বিশেষ প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ,সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-কে ফুলের শুভেচ্ছা

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে রোগীদের চরম ভোগান্তি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৮ Time View

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে রোগীদের চরম ভোগান্তি

মোঃ কামাল পাশা,সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:-
সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে রোগীদের চরম ভোগান্তি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দায়িত্বহীনতার চিত্র উঠে এসেছে।

সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে চিকিৎসকরা নিজেদের মতো রুটিন তৈরি করে রোগীদের হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি সারাদিন বসিয়ে রেখে শেষ মুহূর্তে চিকিৎসা না দিয়েই রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার মাইনর সার্জারি সেবা নিতে আসা রোগীদের সাথে এমনই এক অমানবিক আচরণের খবর পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের একজন জানান,তিনি পেশায় সরকারি চাকুরিজীবী হয়েও ছুটির দিনে চিকিৎসার জন্য সকাল ১০টা থেকে হাসপাতালে অপেক্ষা করেন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা বা আরএমও’র মৌখিক নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখেন।সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের একজন ছুটিতে থাকার অজুহাত দেন এবং অন্যজন একটি অপারেশন শেষ করে এসে ক্লান্তির কথা জানিয়ে বাকি রোগীদের পরদিন আসতে বলেন।

ভুক্তভোগী ওই রোগী দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত হাসপাতালের বিভিন্ন টেবিলে এবং চিকিৎসকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো বিশেষজ্ঞ সেবা পাননি। শেষ পর্যন্ত আরএমও’র হস্তক্ষেপে জরুরি বিভাগের একজন আউটসোর্সিং কর্মীকে দিয়ে তার মাইনর সার্জারি সম্পন্ন করা হয়।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত থেকেও কেন সেবা দিলেন না,সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর মেলেনি।

হাসপাতালের আরএমও ডা. রফিকুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে,অনেক সময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা প্রশাসনিক নির্দেশনা মানতে চান না। তিনি জানান,সেবা দেওয়া সম্ভব না হলে রোগীদের সকালেই জানিয়ে দেওয়া উচিত ছিল, এভাবে সারাদিন বসিয়ে রাখা মোটেও কাম্য নয়।

স্থানীয় রোগীদের অভিযোগ,হাসপাতালের চিকিৎসকরা সরকারি ডিউটির চেয়ে বাইরের ক্লিনিকে বা ব্যক্তিগতভাবে অপারেশন করতেই বেশি আগ্রহী।মূলত বাইরে যেতে বাধ্য করার জন্যই হাসপাতালে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রোগীদের হয়রানি করা হয়।এই অব্যবস্থাপনার কারণে সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category