ভারত প্রতিনিধি :: জানা গিয়েছে,বেশ কিছুদিন থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বছর আশির ওই প্রাক্তন মন্ত্রী।এবিষয়ে সিকিম পুলিশের নিকট নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।এদিকে সোমবার বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার গোবরধন গ্রাম সংলগ্ন মহিষখোঁচা এলাকায় তিস্তার চরে একটি মৃতদেহ ভেসে থাকতে দেখেন সেখানকার বাসিন্দারা।খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশ কর্তারা মৃতদেহটি উদ্ধার করে বিভিন্ন স্তরে এই বার্তা পৌছে দেন।
সেই সূত্র ধরে খবর যায় সিকিম প্রশাসনের নিকট।এরপর তারা এরাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগযোগ করেন।এদিন বার্তা পৌছায় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের নিকট।এরপর মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেন।ময়নাতদন্তের পর মঙ্গলবার রাতে কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে সিকিমের প্রাক্তন মন্ত্রীর দেহ বাংলাদেশ প্রশাসনের তরফে ভারতীয় প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এই মৃতদেহ তুলে দেবার সময় মেখলিগঞ্জ পুলিশের এসডিপিও আশিস পি সুব্বা,ওসি মিঠুন বিশ্বাস,ওসি আইসিপি সুরজিত বিশ্বাস ছাড়াও বিএসএফ এবং বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনের কর্তারাও হাজির ছিলেন।মৃত ওই প্রাক্তন মন্ত্রীর জামাই বলেন,বাংলাদেশে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহের হাতে ঘরি দেখেই তারা তার শ্বশুরকে চিহ্নিত করতে পারেন।
এনিয়ে তার বক্তব্য শোনাব।পাশাপাশি কি বলেছেন বাংলাদেশ পুলিশের কর্তা এবং মেখলিগঞ্জ পুলিশের এসডিপিও আশিস পি সুব্বা?শুনুন।