বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বলে দাবী করেন তখনি কিছু মাদক ব্যাবসায়ী রাজনৈতিক নেতাদের ছত্র ছায়ায়। গিয়ে মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এমন এক মাদক ব্যাবসায়ীর সন্ধান মিলেছে রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন প্রিয়াংগন আবাসিক এলাকায়।
দুপুর গড়িয়ে যখনি বিকাল এবং বিকাল থেকে রাত শুরু হয়। তখনি এই নুন নবীর কোলাহল বাড়ে।এবং সারা রাত মাদক বিক্রি করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।নুন নবীর রয়েছে একটি কিশোর গ্যাং চক্র আর এই চক্রের মাধ্যমে সারারাত মাদক বিক্রি করে আসছে বলে ভুক্তভোগী কিছু বাড়িয়ালা অভিযোগ করেন।
সরেজমিন গিয়ে যানা যায় এই নুন নবীর নামে একাধিক মাদক মামলা থাকলে কোন প্রকার দমন করতে পারছেনা প্রশাসন। ঢাকা ১৪ আসনের বর্তমান সাংসদ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সেক্রেটারী জবান মাইনুল হোসেন খান নিখিল কয়েকদিন আগে এক সমাবেশে বলেছিলেন ঢাকা ১৪ আসনে মাদকের কোন ঠায় হবেনা। মাদক ব্যাবসায়ী সে যেই হোক তাকে আমরা প্রতিহত করবোই। এমন কঠোর হওয়ার পরও কেন এই নুন নবীর মত মাদক ব্যাবসায়ী এমন মাদকের সিন্ডিকেট চালায় এটা বোধগম্য। তাহলে কি সরকার দলীয় এম পির চেয়েও শক্তি শালী এই নুন নবীর মাদক সিন্ডিকেট? এমন কথা বলছে এলাকা বাসী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রিয়াংগন আবাসিক এলাকার একজন বাড়িয়ালা বলেন।
এই নুন নবী শুধু মাদক ব্যাবসায়ী নয়। তার রয়েছে কিশোর গাং বাহিনী। কেউ তাকে কিছু বলতে গেলে। কিশোর গাং বাহিনী দিয়ে হুংমি দিয়ে থাকে এবং জানে মেরে ফেলার মত কথাও বলে থাকেন তারা। শুধু এখানেই শেষ নয়। তার সাথে নাকি কয়েক জন পুলিশের ও রয়েছে ভাল সম্পর্ক। এবং সেই পুলিশ দিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি প্রদান করে থাকে।
এ বিষয়ে ঢাকা ১৪ আসনের সাংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চায়লে। সংসদ সদস্য বলেন ইতিমধ্যে অনেক মাদক ব্যাবসায়ী নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং যারা বাকি আছে তাদের তালিকা করে প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার কাজ চলছে।এই মাদকের অনুসন্ধান করতে গেলে মাদক ব্যাবসায়ী নুন নবী প্রতিবেদকের বাসার সামনে আছি বলে তাকে হুমকি প্রদান করে এবং জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ আছে। তবে বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ ডিবি এবং মাদকের বিরুদ্ধে সকল অভিযান কারীদের উদ্দেশ্য দারুস সালাম থানা বাসি বলেন এই নুন নবী কে এখনি দমন না করলে আমরা।আমাদের কোমল মতি শিশুদের মানুষ করতে পারবোনা। ........
(আরো বিস্তারিত দেখুন ২য় প্রতিবেদনে।)