ভারত প্রতিনিধি::জাতীয় সড়ক থেকে রাজ্য সড়ক রেজিনগর, জেলা জুড়ে ব্যাঙের ছাতায় মতো ক্রমশ গজিয়ে উঠেছে বেআইনি মদ ও জুয়ার ঠেকের সংখ্যা। ঘটনাস্থল ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর অবস্থিত বেশ কিছু ধাবা। জেলায় পরপর এমন ঘটনা ঘটতে থাকায় পুলিশ-প্রশাসন ও আবগারি দফতরের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী— সকলেই।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, জেলা জুড়ে বেআইনি মদের কারবার চললেও নীরব পুলিশ-প্রশাসন থেকে শুরু করে আবগারি দফতরের কর্তারাও। বেআইনি কারবারিদের সঙ্গে পুলিশের একাংশের যোগসাজগের অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ মানুষ। এ জন্য পুলিশ-প্রশাসনের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, "জাতীয় সড়কের ধারে ক্রমশ বেআইনি ভাবে মদের ঠেকগুলি গড়ে ওঠছে। প্রকাশ্যে তারা কারবার চালালেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করছে না। এখানে পুলিশের সঙ্গে একাংশ কারবারিদের গোপন যোগাযোগ রয়েছে। আর মাশুল দিতে হচ্ছে আমাদের"।
এছাড়াও জানা গিয়েছে, ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী ধাবা। দিনের বেলা খাওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও রাতের দিকে দেদার বিক্রি হচ্ছে মদ। শুধু তাই নয় এখন সন্ধের পর থেকে অস্থায়ী ভাবে ছোট ছোট দোকান বসানো হচ্ছে রাতের দিকে। সেখানে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে মদ। শুধু বিক্রি করাই নয়, সেখানেই প্রকাশ্যে বসে তা খাওয়া দেওয়া চলছে।
সাধারণ মানুষ এও অভিযোগ করেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে মদ্যপদের গ্রেফতার করলেও কারবারিদের গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ।পুলিশের পাশাপাশি বেআইনি মদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় আবগারি দফতরের কর্তারাও। ফলে আবগারি দফতরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বেশ কিছু বছর আগে জাতীয় সড়কের উপরেই একটি হোটেলে এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। অতিরিক্ত মদ্যপানের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা যায়। এরপর থেকেই এলাকাবাসী অভিযোগ করতে থাকেন তারপরও কোনো সুরাহা মেলে নি।