মোঃ মিঠু আহম্মেদ নারায়ণগঞ্জ:-
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবল কাওসার এখন নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এলাকা জুড়ে চালাচ্ছে তার মাশওয়ারা বানিজ্য।
জানা গেছে যে একসময় বাংলাদেশ পুলিশে কর্মগত ছিলেন কনস্টেবল কাওসার। সেই সুবাদে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানায় তার পোস্টিং হয় দির্ঘ্য সময় কর্মরত ছিলেন কনস্টেবল কাওসার ফতুল্লা পুলিশে। ২০২২ সালে চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত হন কনস্টেবল কাওসার। চাকুরী কালে ফতুল্লা থানা এলাকায় চালিয়েছেন তার মাশওয়ারা বানিজ্য। বর্তমানে চাকুরী না থাকলেও বন্ধ হয় নি কনস্টেবল কাওসারের এই অবৈধ ভাবে মাদক কারবারি দের থেকে মাশওয়ারা বানিজ্য। বিভিন্ন সময় সমালোচিত পুলিশ কনস্টেবল কাওসার এখন নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এসআই দের নিয়ে চালাচ্ছে মাদক কারবারি দের থেকে মাশওয়ারা আদায় করা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলা জানান যে আমার স্বামী একজন ময়দার মিলের কর্মচারি কাজ শেষে রাতে আমার স্বামী বাসায় আসার পথে তিন চার জন লোক আমার স্বামীর পথ আটকিয়ে পুলিশ পরিচয়ে তার দেহ তল্লাশি করবে বলে, আমার স্বামীর সন্দেহ হলে তিনি বলেন যে আপনার যে পুলিশ আপনাদের পরিচয় পত্র দেখান এবং আলোতে আসে আমার দেহ তল্লাশি করুন। এই কথা বলায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশের কনস্টেবল কাওসার ও তার সঙ্গে থাকা নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দুই জন আমার স্বামিকে বেধরক মার দিয়ে থানায় চালান করে ৩০ পিছ ইয়াবা টেবলেট দিয়ে। পরর্বতিতে আমি আমার স্বামীকে আদালত থেকে জামিনে বের করি। কি ছিলো আমার স্বামীর অপরাধ তিনি তো শুধু নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন যে তারা কি প্রকৃতি পুলিশ কি না। এমন আরো অনেক ঘটনা আছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশের কনস্টেবল কাওসারের নামে। এখন নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এলাকার নিরীহ জনগণের একটাই দ্বাবী অনতিবিলম্বে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশের কনস্টেবল কাওসারের এই ধরনের মাশওয়ারা ও নিরীহ মানুষকে হয়রানির থেকে রেহাই করার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের হস্তক্ষেপ অতি জরুরী।