দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:-বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের অবসান ঘটল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে। তিনি ছিলেন এদেশের গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক,ভোটাধিকার,জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন সংগ্রামের অগ্রসেনানী।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা,সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা সুদৃঢ়করণ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ও দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তিনি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না,বরং বাংলাদেশের ইতিহাসে সংকটকালে দৃঢ়চিত্ত নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাঁর প্রজ্ঞা,সাহস ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা জাতিকে বহু কঠিন সময় অতিক্রম করতে সহায়তা করেছে।তাঁর ইন্তেকালে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ক,গণতন্ত্রের এক আপসহীন কণ্ঠস্বর এবং জাতির এক অভিভাবককে হারাল।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর শাহাদাতের পর এক চরম রাজনৈতিক সংকটময় পরিবেশে তিনি নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন।প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন।তাঁর অবদান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং দোয়া করছি—আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন,দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।
এই শোকাবহ মুহূর্তে দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান—সংযম,ধৈর্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখুন।মহান আল্লাহ আমাদের প্রিয় নেত্রীর বিদেহী আত্মাকে শান্তি দান করুন। আমিন।