বাবলু বড়ুয়া বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম::ইং ০৩/০৩/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় বাদী ভিকটিম মোঃ আলম ফরাজী (৩৮) ব্যক্তিগত কাজে পতেঙ্গা ষ্টীলমিল বাজার থেকে সিডিএম মার্কেট অলংকারের দিকে যাওয়ার সময় হালিশহর থানাধীন
কে-ব্লকস্থ এসি মসজিদের সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌঁছালে একই তারিখ সকাল অনুমান ১১.৪০ ঘটিকার বাদীর সামনে কালো একটি মাইক্রোবাস গাড়ী দাঁড়ায় এবং গাড়ি থেকে কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি নেমে নিজেদেরকে হালিশহর থানার সিভিল পুলিশ পরিচয় দিয়ে
বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদেরকে জন্য থানায় যেতে হবে বলে বাদীকে জোরপূর্বক উক্ত মাইক্রোবাস গাড়ীতে উঠায় কিন্তু তাকে থানায় না নিয়ে বেরিবাধ এলাকার খাল পাড়ের দিকে নিয়ে গেলে বাদী এদিকে কেন নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জিজ্ঞেস করলে অপহরণকারীরা বাদীকে এলোপাতাড়ি কিল,
ঘুষি মারিতে থাকে। বাদীকে বলে যে, মুক্তিপণ বাবদ তাদেরকে ১,০০,০০০/-টাকা দিতে হবে, তা না হলে তাকে মেরে ফেলা হবে। তখন গাড়ীতে থাকা বড় স্যার পরিচয়দানকারী অজ্ঞাতনামা আসামী বাদীর পরিহিত প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ৭,৮০০/-টাকা নিয়ে নেয় এবং মুক্তিপণ বাবদ উক্ত ১,০০,০০০/- টাকা আনতে বলে। একপর্যায়ে উক্ত মাইক্রো গাড়ীটি হালিশহর থানাধীন বি-ব্লকস্থ খালপাড় এলাকার একটি ব্রীজের সামনে দাঁড় করে অজ্ঞাতনামা একজন আসামী গাড়ীর নিচে নামলে বাদী কৌশলে মাইক্রোবাস গাড়ীটির গ্লাস খোলে বাহির হওয়ার চেষ্টা করে এবং আসামীদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য ডাক-চিৎকার করতে থাকে।
বাদীর ডাক-চিৎকার গুনে আশপাশের অনেক লোকজন গাড়ীর সামনে জড়ো হয় এবং গাড়ীটি ঘিরে ফেলে। তখন গাড়ীতে থাকা ১নং আসামী মোঃ তাজুল ইসলাম (৩৬) ও উক্ত গাড়ীর ড্রাইভার ২নং আসামী রুবেল (৩৮)দ্বয়কে স্থানীয় লোকজন ধৃত করতে সক্ষম হলেও গাড়ী থাকা অপরাপর পলাতক আসামী ৩। সাগর (৪৫),
৪। রবিন (২৭) ও অজ্ঞাতনামা আরো ০১ জন আসামী দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে হালিশহর থানার এসআই/রিফাত আল জাবেদ, এসআই/মোঃ মনিরুল ইসলাম, এসআই/গাজী মোঃ জিয়াউল, এএসআই/মোঃ রকিবুল ইসলাম, এএসআই/জিয়াউর রহমান সংগীয় ফোর্সসহ বাদী ভিকটিম
মোঃ আলম ফরাজীকে উদ্ধার করতঃ ধৃত আসামীদ্বয়কে নিজ হেফাজতে নেয় এবং মাইক্রোবাস গাড়ী, যাহার রেজি নং-চট্টমেট্রো-চ-১১-৯৯১২ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করে। এরই প্রেক্ষিতে হালিশহর থানার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৩/০৩/২৫ ইং ধারা- ১৭০/৩২৩/৩৬৫/ ৩৮৫/৩৮৬/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।