রাজারহাটে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের প্রকল্পের টাকা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে বাগবিতণ্ডা
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কাবিখা কাবিটা প্রকল্পের টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে কুড়িগ্রাম ২ আসনের রাজারহাট উপজেলা প্রতিনিধি এরশাদুন্নবী নবীন ও প্রকল্পের সভাপতি বিদ্যানন্দ ইউপি সদস্য শেফারুল ইসলাম মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। গত রোববার ১৪ জুলাই রাত ৮ঃ০০ ঘটিকায় প্রকল্পের টাকা নিয়ে রাজারহাট বাজারের রাজ মহল সিনেমা হলের সামনে এই বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক তৌহিদ রহমান ব্যাপারীর মধ্যস্ততায় পরিবেশ পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়।
সরেজমিনের অনুসন্ধানে জানা যায় বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চর বিদ্যানন্দের আনন্দ বাজারের শফিকুল ইসলামের বাড়ি হতে বক্কর মুন্সীর বাড়ি পর্যন্ত ২৫০ মিটার কাচারাস্তার সাইড মেরামত ও স্লোপিংয়ের জন্য এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।কিন্তু সরকারী বিধি মোতাবেক যে ভাবে কাজ করার নির্দেশনা থাকলেও তা করা হয়নি। কোন রকম দায়সারা কাজ করা হয়।অপর প্রকল্প সুকদেব মৌজার আব্দুল জলিলের রাইস মিল হতে রাজুর বাড়ি পর্যন্ত ৪২৫ মিটার রাস্তার সাইড মেরামত ও স্লোপিংয়ের জন্য এক লক্ষ চুয়াত্তুর হাজার টাকার বরাদ্দ দেওয়া হলেও আংশিক কাজ করে বাকি টাকা উপজেলা এমপির প্রতিনিধি ও প্রকল্প চেয়ারম্যানের মধ্যে বাগ বাটোয়ারা করে নেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য বলেন দুই প্রকল্প মিলে মাত্র ৮৮ হাজার টাকার কাজ করা হয়।
প্রকল্পের টাকা বাগ বাটোয়ারার বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বিষয় টি স্বীকার করে বলেন। ইউপি সদস্যর সাথে এমপির প্রতিনিধির টাকা পয়সা নিয়ে অদ্ভুত ঘটনা সত্যিই অনাকাঙ্ক্ষিত। এই বিষয়ে এমপি মহোদয়কে অবগত করা হবে। টাকা জোর করে নেওয়ার বিষয়ে প্রকল্প চেয়ারম্যান বিদ্যানন্দ ইউপি সদস্য শেফারুল ইসলাম বলেন,টাকার জন্য আমাকে রাজারহাট রাজমহল সিনেমা হলের সামনে আটকিয়ে এক লক্ষ বাষট্রি হাজার টাকা নেন। বিষয় টি অনেকে দেখেছেন।
এই বিষয়ে রাজারহাট উপজেলার এমপি প্রতিনিধি এরশাদুন্নবী নবীন বলেন,বিষয় টা সমঝোতা করা হয়েছে,সাংবাদিক কার সাথে সমঝোতা করেছেন এই কথা বললে সাংবাদিক কে সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।
এই বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা বেগম বলেন,ঘটনা টি আমার জানা নেই।আপনার মাধ্যমে জানলাম বিষয় টা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবো বলে জানান তিনি।