বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় সিলেট-৪ নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের পরাজয়ের খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে বিএনপি কর্মীর মৃত্যু আনসার ও ভিডিপির উপ-পরিচালক রায়হান ফকিরের সঙ্গে এসএসসি’৯১ চট্টগ্রাম বিভাগের সৌজন্য সাক্ষাৎ সালথায় মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা চট্টগ্রামের মোট ১৬টি আসনের মধ্যে যারা বিজয়ী হয়েছেন ১-১৪ টি আসনেই বিএনপি এবং ১৫-১৬ নং ২টি আসনে জামায়াতের নরসিংদী জেলার ৫টি সংসদীয় আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন রাজবাড়ীর দুটি আসনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী বিএনপি’র দুই প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন সিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী বাচ্চু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

মাদ্রাসার সভাপতি পদে পদত্যাগ চেয়ে পত্র দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১০০ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: নাংলা ঘোনাপাড়া রহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ চেয়ে সুপারকে পত্র দিয়েছেন দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবর রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রæয়ারী) তারিখে এক লিখিত পত্রে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এ পদত্যাগ পত্র দেন তিনি। এর আগে শিক্ষার্থী নয় এমন এবং একই ছাত্রীদের দিয়ে বার বার পরীক্ষা দিয়ে এমন জালিয়াতি করে এমপিও ছাড় সহ অপকর্মের বিষয়ে স্থানীয় সামছুর রহমান নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি অনুসন্ধান পরবর্তী বিভিন্ন পত্রিকায় একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাাহী অফিসার ওই প্রতিষ্ঠানের সুপারকে তলব করেন। সেই সাথে মাদ্রাসার সুপার আবুল বাশারকে ১৮ পরীক্ষার্থীর কাগজপত্র দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। এরই মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান ওই মাদ্রাসার সভাপতি পদে অব্যহতি পত্র জমা দিয়েছেন।
খোঁজনিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের নাংলা ঘোনাপাড়া রহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০২৩ সালে এমপিও হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে ১২ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী সরকারি বিধি মোতাবেক বেতন ভাতা পাচ্ছেন। কিন্তু অভিযোগ আছে, যে সব শিক্ষার্থী দেখিয়ে এমপিও’র ছাড় করা হয়েছে। তা শুধু কাগজ কলমে সীমাবদ্ধ রয়েছে। তারই সত্যতা মিলেছে এবারের দাখিল পরীক্ষায়। ওই প্রতিষ্ঠানটিতে ১৮ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও প্রথম দিনে ৭ জন উপস্থিত ছিল। ২য় দিন পরীক্ষার আগে ভুয়া পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি জানা জানি হলে এরপর থেকে আর কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি হলে বিভিন্ন মহলে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে মাদ্রাসার সুপার আবুল বাশার। এর আগে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে একাধীক শিক্ষককে এমপিও’র পূর্বে অন্যায় ভাবে বাদ দিয়ে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে নতুন শিক্ষক পদায়ন করার অভিযোগ আছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তবে অনেকের দাবি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও চলমান এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান নিজেকে বাঁচাতে সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ পেতে সুপারের বরাবর এ পত্র দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category