বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মুমিনবাড়ী ফয়জুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার জামাতে জালালাইন এর শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬ ধামইরহাট সীমান্তে ১৪ বিজিবি কর্তৃক মাদকদ্রব্য সহ আটক-২ নরসিংদীর শিবপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,মাদক ও নগদ অর্থ সহ গ্রেফতার রাজবাড়ীর শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হলেন: পারমিস সুলতানা পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন(১৪ বিজিবি)কর্তৃক মাদকদ্রব্য উদ্ধার নান্দাইল কানারামপুর বাসস্ট্যান্ড বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনার অফিস উদ্বোধন জামালপুরে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে শখের ইজিবাইক কেড়ে নিল প্রবাসী কাশেমের জীবন কুলাউড়ায় এতিম শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ জুড়ীতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

বেনাপোলে আলোচিত রেশমা হিজড়া হত্যা, ৮জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৬৯ Time View

মনির হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি::বেনাপোলের বহুল আলোচিত রেশমা হিজড়া হত্যা মামলায় আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে এ চার্জমিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শংকর কুমার বিশ্বাস ।

অভিযুক্তরা হলেন, বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রামের ফারুক হোসেন, আল মামুন, শরিফ শেখ, সাগর উদ্দিন, হোসাইন, জাফর হোসেন, টিটু মোড়ল ও আতউল্লাহ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় দু’জনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ১১ মার্চ বিকেলে ডিবি পুলিশ জানতে পারে রেশমা হিজড়াকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে তার পরিচিতরা। রেশমা হিজড়া নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ডিবি পুলিশ তার বন্ধু ফারুককে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে কাগজপুকুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উত্তর কোনায় পুঁতে রাখা রেশমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত তিন-চারজনকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, রেশমা ও তার স্বামী পরিচয়দানকারী জাফর একসাথে সীমান্ত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতেন।

নিজেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হলে কথিত স্বামী জাফরকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিতেন রেশমা। আবার তাকে ছাড়িয়েও আনতেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে রেশমার ওপর ক্ষিপ্ত হন জাফর। এরইমধ্যে বেনাপোল এলাকার সোহাগের বাড়ি ভাড়া নেন রেশমা। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে গিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেন জাফর। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেন রেশমা। ওই মামলায় সাক্ষী করা হয় ফারুককে। কিন্তু ফারুক মামলায় সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন রেশমা। এছাড়া, এলাকার বিভিন্ন লোকজনকে নানাভাবে হয়রানি করতেন তিনি।

এরই জের ধরে ঘটনার দিন রাতে কৌশলে রেশমাকে ডেকে এনে মারপিট করে কবরস্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। কবরস্থানের পাশে নিয়ে রেশামার মৃত্যু নিশ্চিত করতে জবাই করে তাকে। এরপর রেশমার মরদেহ বস্তাবন্দি করে কবরস্থানে পুঁতে রাখা হয়। এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় মফিজুর গাজী মফি ও রুবেলের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চর্জেিশট।

চার্জশিটে অভিযুক্ত পাঁচজনকে পুলিশ আটক ও বাকি তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category