বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় সিলেট-৪ নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের পরাজয়ের খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে বিএনপি কর্মীর মৃত্যু আনসার ও ভিডিপির উপ-পরিচালক রায়হান ফকিরের সঙ্গে এসএসসি’৯১ চট্টগ্রাম বিভাগের সৌজন্য সাক্ষাৎ সালথায় মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা চট্টগ্রামের মোট ১৬টি আসনের মধ্যে যারা বিজয়ী হয়েছেন ১-১৪ টি আসনেই বিএনপি এবং ১৫-১৬ নং ২টি আসনে জামায়াতের নরসিংদী জেলার ৫টি সংসদীয় আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন রাজবাড়ীর দুটি আসনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী বিএনপি’র দুই প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন সিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী বাচ্চু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

প্রশ্ন জনমনে: ঘূর্ণিঝড় রিমালের দিন কোথায় ছিলেন শ্যামনগরের ইউএনও

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪
  • ৮৮ Time View

শ্যামনগর প্রতিনিধি::ঘূর্ণিঝড় রিমাল চলাকালীন সার্বক্ষণিক এলাকাবাসীর পাশে থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন, দুর্যোগ পরিস্থিতি মনিটরিং করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান সাঈদসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা।

তবে, কোথাও দেখা মেলেনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজিবুল আলমের। বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে শ্যামনগরে।

স্থানীয়রা জানান, ইতোপূর্বে ঘূর্ণিঝড়সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইউএনওদের তোড়জোড় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকসহ জনপ্রতিনিধিদের দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় উৎসাহ যোগাতো। কিন্তু এবারই দেখা গেল ইউএনও ঘর থেকে বের হননি।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকে লিখেছেন, শ্যামনগর দুর্যোগপ্রবণ, তার মতো সৌখিন মানুষের শ্যামনগরে থাকার দরকার নেই। এছাড়া তিনি সাধারণ মানুষের ফোনও রিসিভ করেন না। ফলে সাধারণ মানুষ তাকে অভাব-অভিযোগের কথা জানাতে পারেন না।

আটুলিয়া ইউনিয়ন সিপিপির টিম লিডার আবির হোসেন বলেন, আমরা ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় সব সময় মাঠে ছিলাম। কিন্তু ইউওনো স্যারকে দেখতে পায়নি। আমাদের খোঁজখবরও নেয়নি। আগের ইউএনও স্যাররা দুর্যোগ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতেন। কোথায় কি হচ্ছে খোঁজখবর নিতেন। আমরা উৎসাহিত হয়ে কাজ করতাম।

মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অসীম মৃধা বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালের আগে উপজেলায় মিটিং হয়েছিল। কিন্তু ঝড়ের সময় ইউএনও স্যার আসেনি। ঝড় শেষ হওয়ার পরের দিন পরিদর্শনে এসেছিলেন। আমাদের সাথে সব সময় ঝড়ের খোঁজ খবর রেখেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুল আলম বলেন, গাবুরা ইউনিয়নে খুব খারাপ অবস্থায় থাকায় ইউএনও স্যার পার হতে পারিনি। ঝড় শেষ হয়ে গেছে, পরেও আসেননি। তিনি মোবাইলে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজিবুল আলম বলেন, ইউএনও না থাকলে ঝড় ঝামটায় আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণ কি আকাশ থেকে উড়ে আইছে?

এক পর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, নিউজ করার কোনো টপিক্স খুঁজে পাচ্ছেন না? যান নিউজ করেন, যান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category