কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি::কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায় উরদিঘী দাখিল মাদ্রাসার জমি দখল করে দোকান পাট করে ভোগদখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। এই দখলবাজির নেতৃত্ব দিচ্ছে শুরু থেকে মরহুম জিন্নাত আলী এবং তার ছেলে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি আজিজুল ইসলাম।
তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে জাতীয় পার্টির নেতা সাবেক মাদ্রাসা সভাপতি এবং মরিছখালি বাজার বণিক ও ভিট মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান ও তার ছেলে যুবলীগের নেতা আনোয়ার হোসেন এবং তাদের বংশের লোকজন।
যারা জাতীয় জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশে (অনিচ্ছুক) বলেন তারা আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসার জমি দখল করে অন্তত ১০-১২টি দোকান ঘর নির্মাণ করেছে।
যার বর্তমান মূল্য কয়েক কোটি টাকা এই নিয়ে এলাকাবাসী কিছু বললে তাদেরকে বিভিন্ন হুমকি-ধুমকি দেওয়া হয়। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাদ্রাসার মূল ফটক টি বাদ দিয়ে দুই পাশে সারিসারি দোকান গড়ে উঠেছে এসব দোকানের মালিকানায় রয়েছে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির নেতারা। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানাই এসব দোকানপাটের কারণে মাদ্রাসাটি আড়ালে পড়ে গেছে এটি যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তা চিনার কোন উপায় নেই।
সাম্প্রতি এই বিষয়টা নিয়ে এলাকাবাসী এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে নির্মিত মাদ্রাসাতে বর্তমানে প্রায় ১১শত ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ মাহতাব উদ্দিন বলেন আমার যোগদানের আগে থেকেই মাদ্রাসার জায়গায় দোকানগুলো ছিল তবে এসব দোকান থেকে কোন টাকা পয়সা মাদ্রাসা পায়না। আমি লোকমুখে শুনেছি এ বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে আমি উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।
মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য আমার বাপ চাচারা জমি দান করেছে আর এই দোকান গুলো অনেক বছর ধরে আছে এতদিন কোন সমস্যা ছিল না এখন যেহেতু সমস্যা দেখা দিয়েছে মাদ্রাসার কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করবো।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খানম বলেন অভিযোগ টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ সত্য হলে এই ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।